মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ঢাকা

খাবার-পানির সংকটে কুড়িগ্রামের বানভাসী মানুষ

জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৯ জুন ২০২২, ০৯:৪৩ এএম

শেয়ার করুন:

খাবার-পানির সংকটে কুড়িগ্রামের বানভাসী মানুষ

বৃষ্টির পানি আর উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপরে কিছুটা স্থিতিশীল অবস্থায় থাকলেও ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি পেয়ে চিলমারী ও নুনখাওয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে প্লাবিত হয়ে পড়ছে নতুন নতুন এলাকা।

রোববার (১৯ জুন) সকালে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন বিষয়টি জানিয়েছেন।


বিজ্ঞাপন


এদিকে, গত ৫ দিন ধরে পানি বন্দি থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন জেলার ৯ উপজেলার লক্ষাধিক বানভাসী মানুষ। বিশেষ করে দুর্গম চরাঞ্চলের বন্যা কবলিতরা নৌকা ও ঘরের উঁচু করা মাচানে বসবাস করলেও শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে পড়েছেন তারা। অনেক পরিবার ঘর-বাড়ি ছেড়ে পাকা সড়ক ও উঁচু বাঁধে আশ্রয় নিতে শুরু করেছেন। শিশু ও গবাদি পশুর খাদ্য সংকট নিয়েও দুর্ভোগে বেড়েছে বন্যা কবলিতরা।

kurigram

কুড়িগ্রাম সদরের শুলকুর বাজার এলাকায় পাকা সড়কের ধারে আশ্রয় নেওয়া আমেনা বেগম বলেন, ‘ঘরের ভিতর পানি ঢুকে চৌকি তলিয়ে গেছে। থাকার মতো অবস্থা না থাকায় ছেলে মেয়ে নিয়ে রাস্তায় এসে উঠেছি।’

সদরের ব্রহ্মপুত্রের অববাহিকার যাত্রাপুর ইউনিয়নের চর যাত্রাপুর এলাকার কাদের আলী বলেন, ‘ঘরের সবকিছু পানিতে তলিয়ে গেছে। নিকটবর্তী কোন উঁচু জায়গা না থাকায় নৌকায় অবস্থান নিয়ে দিন পার করছি। ঠিক মতো রান্না করতে না পারায় খেয়ে না খেয়ে দিন পার করছি। এখন পর্যন্ত কোনো সহযোগিতা পাইনি।’


বিজ্ঞাপন


kurigram

কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানান, বর্নাতদের জন্য ২শ ৯৫ মেট্রিক টন চাল, নগদ ১১ লাখ টাকা, ১হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার, ১৭ লাখ টার শিশু খাদ্য ও ১৯ লাখ টাকার গো-খাদ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং তা বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন জানান, ধরলার পানি বিপৎসীমার ওপর কিছুটা স্থিতিশীল অবস্থায় থাকলেও ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি পেয়ে দুটি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

টিবি

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger

টাইমলাইন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর