শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

ভূমিকম্পের দশম দিন, নিহত বেড়ে ৪১ হাজার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৭:৩৪ এএম

শেয়ার করুন:

ভূমিকম্পের দশম দিন, নিহত বেড়ে ৪১ হাজার

সিরিয়া এবং তুরস্কে ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪১ হাজার ছুঁয়েছে। এক টুইটাবার্তায় এটি জানিয়েছে স্পেক্টেটর ইনডেক্স। তুরস্কে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে এবং সাহায্য সংস্থাগুলো বলছে যে, সিরিয়ায় এই সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। 

তীব্র ঠাণ্ডা ও প্রতিকূল পরিবেশে ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের জীবিত উদ্ধারের আশা আরও ক্ষীণ হয়ে এসেছে। বিশ্বের ৭০টিরও বেশি দেশ উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছে। ধ্বংসস্তূপের কংক্রিট সরালেই মিলছে লাশ।


বিজ্ঞাপন


ভূমিকম্পে মৃত্যুর সংখ্যা যখন ২৭ হাজার ছিল তখন জাতিসংঘ সতর্ক করে বলেছিল যে, চূড়ান্ত সংখ্যা দ্বিগুণ হতে পারে। সংস্থাটি বলেছে যে, ভূমিকম্পের পরে সিরিয়ায় ৫৩ লাখ মানুষ গৃহহীন হতে পারে। এখন তুরস্ক এবং সিরিয়ায় প্রায় ৯ লাখ লোকের জরুরি খাদ্যের (গরম খাবারের) প্রয়োজন রয়েছে।

earthquake

এটি আধুনিক তুরস্কের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভূমিকম্পে পরিণত হয়েছে। অপরদিকে গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত সিরিয়ায় মৃতের সংখ্যা ৫৭১৪ জনে দাঁড়িয়েছে।

জাতিসংঘ বলছে যে, গত সপ্তাহের মারাত্মক ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হওয়ার পর সিরিয়ায় ত্রাণ সহায়তা পৌঁছাতে আরও দুটি সীমান্ত পারাপার খুলতে রাজি হয়েছে সিরিয়ার সরকার।


বিজ্ঞাপন


অনেক সিরিয় নাগরিক তাদের যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশে সহায়তা না পৌঁছানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সরকার উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হওয়ার জন্য দেশটির উপর আরোপিত পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞাকে দায়ী করেছে। তবে আন্তর্জাতিক সাহায্য গোষ্ঠীগুলো বলছে, আসাদ সরকারের অব্যবস্থাপনা এবং দেশের সব এলাকায় উদ্ধার কাজে সংযুক্ত না হওয়াটাই মূল প্রতিবন্ধকতা।

earthquake

গত সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টা ১৫ মিনিটে এই ৭.৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে। বেশিরভাগ মানুষ তখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। বহুতল ভবন ধসে পড়ে ঘুমন্ত মানুষের ওপর। মোমের মতো ধসে পড়ে একাধিক ভবন। ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ার বিস্তৃত এলাকা মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। মিসর, লেবানন ও সাইপ্রাস থেকেও কম্পন অনুভূত হয়।

একে

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger

টাইমলাইন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর