ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি দুই শতাধিক আসন নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। এর মধ্যে শুধু চট্টগ্রাম বিভাগের ৫৮ টি আসনের মধ্যে রয়েছে ৫০ টি আসনের বাজিমাত বিএনপিতে। বাকি ৮টি আসন পেয়েছে জামায়াত, এনসিপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।
গতকাল ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটা থেকে শুরু হয় বিকাল ৪ টা পর্যন্ত চলে এই নির্বাচন।
বিজ্ঞাপন
চট্টগ্রাম জেলা
চট্টগ্রাম জেলার ১৬টি আসনের মধ্যে ১৪টিতে বিএনপির ও ২টিতে জামায়াতের প্রার্থী বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছে।
অপরদিকে, আদালতে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চট্টগ্রামের দুটি আসনের ফল ঘোষণা করবে না নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত জারি করা পৃথক দুইটি চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
মামলা চলমান থাকায় চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফল ঘোষণা স্থগিত রাখা হবে বলে ইসি জানিয়েছে। আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পাওয়ার পর এসব আসনের ফল ঘোষণা করা হবে।
আরও পড়ুন: ফাঁসির সেল থেকে সংসদে
চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নুরুল আমিন পেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ৬৪৫ ভোট। তাকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান পেয়েছেন ৮১ হাজার ২২৭ ভোট।
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সরওয়ার আলমগীর পেয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৪৫ ভোট। তিনি নির্বাচনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হলেও তার ফলাফল স্থগিত রেখেছে নির্বাচন কমিশন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী নুরুল আমিন পেয়েছেন ৬২ হাজার ১৬০ ভোট।
চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোস্তফা কামাল পাশা পেয়েছেন ৭২ হাজার ৫১৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রাবর্থী মুহাম্মদ আলাউদ্দিন পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৮১৮ ভোট। এ আসনে ৮৩টি কেন্দ্রে সবগুলোর ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৪ভোট। বেসরকারিভাবে মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী জয়লাভ করলেও তার ফলাফল স্থগিত রেখেছে নির্বাচন কমিশন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী আনোয়ার ছিদ্দিক পেয়েছেন ৮৯ হাজার ২৬৮ ভোট। এ আসনে ১২৪টি কেন্দ্রের মধ্যে সবকয়টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন পেয়েছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৯৬৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১দলীয় ১১ দলীয় জোটের খেলাফত মজলিসের রিকশা প্রতীকের প্রার্থী নাসির উদ্দীন পেয়েছেন ২১ হাজার ৯৫১ ভোট। এ আসনে ১৪৩টি কেন্দ্রের মধ্যে সবগুলোর ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ১ লাখ ১২ হাজার ২৩৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মোমবাতি প্রতীক নিয়ে ইলিয়াছ নূরী পেয়েছেন ২৭ হাজার ১৪৬ ভোট এবং জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. শাহাজাহান মঞ্জু পেয়েছেন ২২ হাজার ১১৮ ভোট।
চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হুম্মাম কাদের চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ২৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ডা. এ টি এম রেজাউল করিম পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৪৮৫ ভোট। এ আসনে মোট ৯২টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। সবগুলো ভোট কেন্দ্রের ফলাফল প্রকাশ পেয়েছে।
চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৫১ হাজার ৭৩৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়ি পাল্লা প্রতীক নিয়ে ডা. মো. আবু নাছের পেয়েছেন ৫২ হাজার ৩০ ভোট।
চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আবু সুফিয়ান পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৩৮৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. এ কেএম ফজলুল হক পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৮০৭ ভোট। এ আসনে মোট ১২২টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। সবগুলো ভোট কেন্দ্রের ফলাফল প্রকাশ পেয়েছে।
চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং, হালিশহর ও খুলশী) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সাঈদ আল নোমান পেয়েছেন ১ লাখ ২১ হাজার ৩৭৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর শামসুজ্জামান হেলালী পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৪০৭ ভোট।
আরও পড়ুন: সংসদে যাচ্ছেন ৭ নারী, ৬ জনই বিএনপির
চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৯৯৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মোহাম্মদ শফিউল আলম পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৬৮১ ভোট। এ আসনে মোট ১৪৪টি ভোট কেন্দ্রের সবগুলোর ফলাফল প্রকাশ পেয়েছে।
চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এনামুল হক পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৮০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মোমবাতি প্রতীকে এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু পেয়েছেন ২৮ হাজার ৭৭৭ ভোট এবং জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ডা. ফরিদুল আলম পেয়েছেন ২০ হাজার ৯৪২ ভোট। এ আসনে মোট ১১৩টি ভোট কেন্দ্রের সবগুলোর ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে ১১৮টি কেন্দ্রে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সরওয়ার জামাল নিজাম পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৪৬০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হাসান পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৩৫ ভোট।
চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী জসিম উদ্দিন আহমেদ পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৪৯৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলডিপির ছাতা প্রতীকের প্রার্থী ওমর ফারুক পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।
চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে ১৫৮ টি কেন্দ্রে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৮১ হাজার ২৩৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন পেয়েছেন ১ লাখ ৩০ হাজার ৬৩১ ভোট। এ আসনে সব কয়টি কেন্দ্রের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মো. জহিরুল ইসলাম পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৯৬০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পেয়েছেন ৮২ হাজার ২৩৭ ভোট। ফুটবল প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী লিয়াকত আলী পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৭১ ভোট। এ আসনে মোট ১১২টি ভোট কেন্দ্রের সবগুলোর ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।
কক্সবাজার জেলা
কক্সবাজার জেলার চারটির মধ্যে প্রতিটি আসনেই বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি প্রার্থীদের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল।
কক্সবাজার–১ (চকরিয়া–পেকুয়া)
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ পেয়েছেন ২ লাখ ২২ হাজার ১৯ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল্লাহ আল ফারুক পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৭২৮ ভোট। ৯২ হাজার ২৯১ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন সালাহউদ্দিন আহমদ।
কক্সবাজার–২ (মহেশখালী–কুতুবদিয়া)
বিএনপির আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৪৩ ভোট। জামায়াতের ড. এ এইচএম হামিদুর রহমান আজাদ পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৮৯ ভোট। ২৫ হাজার ৭২৮ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন আলমগীর ফরিদ।
কক্সবাজার–৩ (সদর–রামু–ঈদগাঁও)
বিএনপির লুৎফুর রহমান কাজল পেয়েছেন ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৬ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী শহীদুল আলম বাহাদুর পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৮২৭ ভোট। ২০ হাজার ২৬৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন লুৎফুর রহমান কাজল।
কক্সবাজার–৪ (উখিয়া–টেকনাফ)
বিএনপির জেলা সভাপতি শাহাজাহান চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ২৩ হাজার ৫৮২ ভোট। জামায়াতের নূর আহমদ আনোয়ারী পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৩৩ ভোট। মাত্র ১ হাজার ৫৪৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন শাহাজাহান চৌধুরী। এ আসনে ভোটের হার ছিল ৬৭.৯৪ শতাংশ।
কুমিল্লা জেলা
বিএনপির জয়জয়কার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনে। কুমিল্লার ১১ আসনের মধ্যে ৮টিতেই জয় পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা। বাকি তিনটি আসনের একটি জামায়াতে ইসলাম, একটি জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি, একটি স্বতন্ত্র প্রার্থী। তবে স্বতন্ত্র বিজয়ী হওয়া প্রার্থীও বিএনপির সদ্য বহিষ্কৃত নেতা। যিনি কিনা দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হওয়ায় দল থেকে বহিষ্কার হয়েছেন। তিনি আবার নিজ ঘর বিএনপিতে ফিরে যাবেন বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা)
বিজয়ী ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন (বিএনপি)-১ লাখ ৪০ হাজার ৩০৫, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মনিরুজ্জামান বাহালুল (জামায়াত)-৯০ হাজার ৪৯৯।
কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস)
বিজয়ী মো. সেলিম ভুঁইয়া (বিএনপি)-৭৬ হাজার ২৬৮, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আবদুল মতিন (স্বতন্ত্র) ৬২ হাজার ৩৮৫, নাজিম উদ্দিন (জামায়াত) ৫০ হাজার ১৩৬
কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর)
বিজয়ী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ (বিএনপি)- ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯৩, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. ইউসুফ সোহেল (জামায়াত) ১ লাখ ০৪ হাজার ৫৮০।
কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার)
বিজয়ী হাসনাত আবদুল্লাহ (এনসিপি) ১ লাখ ৬০ হাজার ৫২৭, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আ. জসিম উদ্দিন (গণ অধিকার পরিষদ) ৪৯ হাজার ৬৪৪।
কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া)
বিজয়ী জসিম উদ্দিন (বিএনপি) ১ লাখ ৩৪ হাজার ৪৮৫, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ড. মোবারক হোসাইন (জামায়াত) ১ লাখ ২৪ হাজার ৫৪৭
কুমিল্লা-৬ (সদর, সদর দক্ষিণ)
বিজয়ী মনিরুল হক চৌধুরী (বিএনপি) ১ লাখ ৯৯ হাজার ৩৭২, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাজী দ্বীন মোহাম্মদ (জামায়াত) ১ লাখ ১৪ হাজার ২২৬।
কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা)
বিজয়ী আতিকুল আলম শাওন (স্বতন্ত্র)-৯০ হাজার ৮১৯। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ড. রেদোয়ান আহমেদ (বিএনপি)- ৪৭ হাজার ৯২৫।
কুমিল্লা-৮ (বরুড়া)
বিজয়ী জাকারিয়া তাদের সুমন (বিএনপি) -১ লাখ ৬৭ হাজার ৪৮৬। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অধ্যক্ষ শফিকুল আলম হেলাল (জামায়াত)৪১ হাজার ২০৯।
কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ)
বিজয়ী আবুল কালাম (বিএনপি) -১ লাখ ৬৮ হাজার ১০৮, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অধ্যাপক সরোয়ার আলম সিদ্দিকী (জামায়াত)- ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৫৪।
কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট-লালমাই)
বিজয়ী মোবাশ্বের আলম ভুঁইয়া (বিএনপি)- ১,১০,৬৯০, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী- মুহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত (জামায়াত) -৭৫,২৮৪।
কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম)
বিজয়ী ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের (জামায়াত) ১ লাখ ৩৩ হাজার ৩০৮, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. কামরুল হুদা (বিএনপি)-৭৬ হাজার ৬৩৮।
ফেনী জেলা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনীর তিনটি সংসদীয় আসনেই বড় ব্যবধানে বিএনপির তিন প্রার্থী মিন্টু, জয়নাল ও মজনু বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ফেনী-১ (ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া) আসনে মোট ১২১টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফল ও বিএনপি প্রার্থী মুন্সি রফিকুল আলম মজনু ১ লাখ ১৯ হাজার ৯০৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী এস এম কামাল উদ্দিন পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৭১৫ ভোট।
ফেনী-২ (ফেনী সদর) আসনে ১৪৬টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী অধ্যাপক জয়নাল আবদিন ভিপি ১ লাখ ৩১ হাজার ২১০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু পেয়েছেন ৮০ হাজার ৫৮ ভোট।
ফেনী-৩ (দাগনভূঞা-সোনাগাজী) আসনে ১৬১টি ভোটকেন্দ্রের বিএনপির প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু ১ লাখ ৫৭ হাজার ৪২৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিক ১ লাখ ৮ হাজার ১৬০ ভোট পেয়েছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচটিতেই বিএনপি ও দলটির জোটসঙ্গীরা বিজয়ী হয়েছেন। আর একটিতে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী এম.এ. হান্নান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ৬৭ হাজার ৭৮৩। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান মামুন পেয়েছেন ৩৫ হাজার ১২১ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগর উপজেলার ২টি ইউনিয়ন) আসনে স্বতন্ত্র প্রাথী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট প্রার্থী জমিয়াতে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৯ হাজার ৬৩৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াত ইসলামী ১১ দলীয় জোটের এনসিপির প্রার্থী মোহাম্মদ আতাউল্লা। তিনি পেয়েছেন ৬২ হাজার ৫৪৭ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮১৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মুশফিকুর রহমান। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী আতাউর রহমান সরকার পেয়েছেন ৮২ হাজার ৪৮০ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী এম.এ. মান্নান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ৮৪ হাজার ৭৬১। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী নাজমুল হক তাপস। তার প্রাপ্ত ভোট ৮৩ হাজার ৯৯৫।
এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি জোটপ্রার্থী গণসংহতি পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি মাথাল প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী তিনি পেয়েছেন ৯৪ হাজার ২৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মহসিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৯৬৪ ভোট।
চাঁদপুর জেলা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটি আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা। শুধু চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র (বিএনপির বিদ্রোহী) প্রার্থী এম এ হান্নান।
চাঁদপুর-১ (কচুয়া)
এই আসনে ১১০টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, ধানের শীষের প্রার্থী আ ন ম এহছানুল হক মিলন পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ১৬২ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী আবু নছর মোহাম্মদ মকবুল আহমেদ পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৭৭ ভোট।
চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ)
এই আসনে ১৫৬টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছ, এই আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী মো. জালাল উদ্দিন পেয়েছেন ১ লাখ ৭২হাজার ৫০৬ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় (এলডিপি) ছাতা প্রতীকের প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেন পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৪৭৩ ভোট।
চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর)
এই আসনে ১৬৬ কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, ধানের শীষের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ পেয়েছেন ১লাখ ৬৫হাজার ৪০৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. শাহজাহান মিয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৮৬৫ ভোট।
চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ)
এই আসনে ১১৯টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী (চিংড়ি মাছ) এম এ হান্নান বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৭৪ হাজার ১৭৫ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী মো. হারুনুর রশিদ পেয়েছেন ৬৯ হাজার ১৫৫ ভোট।
চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি)
এই আসনের ১৫৮টি কেন্দ্রের ফলাফলে ১ লাখ ৮০ হাজার ৯১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মো. মমিনুল হক। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের এলডিবির ছাতা প্রতীকের প্রার্থী মো. নেয়ামুল বশির পেয়েছেন ৭১ হাজার ৮৫০ ভোট।
নোয়াখালী জেলা
নোয়াখালীর ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। অপর একটি আসনে জয় পেয়েছেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ বিজয়ী হয়েছেন।
নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মাহাবুব উদ্দিন খোকন এক লাখ ২৬ হাজার ৮৩৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. ছাইফ উল্যাহ (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৩৬ ভোট।
নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-কোম্পানীগঞ্জ) আসনে বিএনপির জয়নুল আবদিন ফারুক ধানের শীষ প্রতীকে ৮৩ হাজার ৯৮২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া (শাপলা কলি) পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৫৪ ভোট।
নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) আসনে বিএনপির বরকত উল্লাহ বুলু ধানের শীষ প্রতীকে এক লাখ ৪১ হাজার ৩১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের বোরহান উদ্দিন পেয়েছেন এক লাখ ২৩ হাজার ৯৪১ ভোট।
নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মো. শাহজাহান দুই লাখ ১৯ হাজার ১৮২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ইসহাক খন্দকার পেয়েছেন এক লাখ ৪৮ হাজার ৯৮৯ ভোট।
নোয়াখালী-৫ (কবিরহাট-হাতিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে এক লাখ ৪৭ হাজার ৮০৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন এক লাখ ২০ হাজার ৪৫৩ ভোট।
অন্যদিকে, নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে এনসিপির প্রার্থী আবদুল হান্নান মাসউদ শাপলা কলি প্রতীকে ৯০ হাজার ১১৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাহবুবের রহমান শামীম ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৩৭২ ভোট।
লক্ষ্মীপুর জেলা
লক্ষ্মীপুরে ৪টি আসনে বিএনপি প্রার্থীরা বিজয়ী। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুরের ৪টি আসনে ধানের বিএনপির শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। এসব প্রার্থীদের সঙ্গে ৩টি আসনের ফলাফলে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীরা। একটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন এনসিপির শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী।
জেলার নির্বাচনি ফলাফল ঘোষণা কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর -১ (রামগঞ্জ) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির শাহাদাত হোসেন সেলিম। তার প্রাপ্ত ভোট ৮৫ হাজার ৪৫৭। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এনসিপির মাহবুব আলম পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৪৩৭ ভোট।
লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদর আংশিক) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির আবুল খায়ের ভুঁইয়া। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১৩। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের এসইউএম রুহুল আমিন ভুঁইয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৪২ ভোট।
লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৫। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের রেজাউল করিম পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৭৭৯ ভোট।
লক্ষ্মীপুর- ৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির আশরাফ উদ্দিন নিজান। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ১৪ হাজার ২৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের এ আর হাফিজ উল্লাহ পেয়েছেন ৭০ হাজার ৭৬৫ ভোট।
রাঙ্গামাটি জেলা
রাঙামাটি-২৯৯ আসনে বিপুল ব্যবধানে ধানের শীষের জয়। রাঙামাটি পার্বত্য জেলার ২৯৯ নম্বর সংসদীয় আসনে অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ এর ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।
ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান পেয়েছেন ১,৯৯,৮৪০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফুটবল প্রতীকের পহেল চাকমা পেয়েছেন ৩০, ৯৯২ ভোট। এরপর ঈগল প্রতীকের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক পেয়েছেন ২১,৫১৩ ভোট।
খাগড়াছড়ি জেলা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া বেসরকারিভাবে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।
বিএনপির প্রার্থী বিএনপির প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ২১২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ধর্ম জ্যোতি চাকমা ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছে ৬৭ হাজার ৬৮৫ ভোট।
এছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. এয়াকুব আলী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৪ হাজার ১১৬ ভোট।
বান্দরবান জেলা
বান্দরবান আসনে জয়ী বিএনপির সাচিংপ্রু জেরি। বান্দরবান আসনে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী সাচিংপ্রু জেরি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বান্দরবান আসনে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী সাচিংপ্রু জেরি। তিনি সর্বমোট ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৫৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি প্রার্থী আবু সাঈদ মো. সুজা উদ্দিন পেয়েছেন ২৬ হাজার ১৬২ ভোট।
ফলাফলে দেখা যায়, বান্দরবান আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৭১ হাজার ৭১৭টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৯০ হাজার ১৫৬টি।
এমআর/এমআই




























































































































































































































