১৭ বছর পর ভোট দিতে পেরেছেন আসমা আক্তার। এর আগে তিনি প্রথম ভোট দিয়েছিলেন ২০০৮ সালে। এরপর আর কোন ভোটে অংশ নিতে পারেননি। ভোটকেন্দ্রে গেলেও তার ভোট অন্যজন দিয়েছেন বলে জানতে পারেন। কিন্তু আজ ভোট দেওয়ার পর তার মন বেশ উৎফুল্ল।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকা-২ আসনের কেন্দ্র ঘাটারচর প্রাথমিক বিদ্যালয় তার নিজের ভোট দেন তিনি। ভোট দেওয়ার পর এই প্রতিবেদকের কাছে এমন অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন।
বিজ্ঞাপন
শুধু আসমা আক্তার নয়, এ কেন্দ্রে যেসব নারী ভোটারা ভোট দিতে এসেছেন তাদের প্রত্যেককেই বেশ খুশি। সকাল থেকে দীর্ঘ লাইন ছিল। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতি আরও বাড়ছে।
রিয়াজুল ইসলাম জীবনের প্রথম ভোট দিলেন। এই কেন্দ্রে বাবা এবং ছেলে একসাথে এসেছেন। ভোট দিয়ে ফিরছিলেন তারা। এ সময় কথা হয় তাদের সঙ্গে।
তারা জানালেন, ভোট দিয়ে তারা বেশ খুশি কারণ ভোট কাকে দেবেন, কেন দেবেন এসব নিয়ে কেউ প্রশ্ন করেনি। লাইনে দাঁড়িয়ে সময় মত ভোট দিয়েছেন তারা।
কেন্দ্রটির প্রিজাইডিং অফিসার তালাত মাহমুদ মিঠু জানান, তিনি এই কেন্দ্রে নয়টি বুথে নির্বাচন পরিচালনা করছেন। সকাল পৌনে নয়টা পর্যন্ত সাড়ে ৪০০ ভোটার ভোটে অংশ নিয়েছেন। এ কেন্দ্রে ৪ হাজার ৫০০ ভোটার রয়েছে বলেও জানান তিনি।
বিজ্ঞাপন
কেন্দ্রের বাহিরে ব্যাপক লোকজনের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। স্থানীয় লোকজন বারবার কেন্দ্রের দিকে ভেড়ার চেষ্টা করছিলেন। আনসার সদস্যরা তাদেরকে সরিয়ে দিচ্ছেন।
ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, সকাল সাড়ে সাতটায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়। তখন দীর্ঘ লাইন ছিল। তবে এখন পুরুষের লাইন বড় হলেও নারীদের লাইন ছোট।
কেন্দ্রটির বিভিন্ন বুথ ঘুরে দেখা গেছে, ভোটের কক্ষে ভোটারদের ঢুকিয়ে ভোটের নম্বর এবং স্লিপ দেখে যাচাই-বাছাই করছেন প্রতিনিধিদের এজেন্ট হিসেবে আসা ব্যক্তিরা। আনসার সদস্যরা বেশ সক্রিয়। এখন পর্যন্ত এই কেন্দ্রে কোনো হট্টগোল বা গন্ডগোলের খবর পাওয়া যায়নি।
সকাল পৌনে নয়টার দিকে ভোট কেন্দ্রে আসেন উপজেলার অফিসারসহ আরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। পরে তারা কেন্দ্র পরিদর্শন করে চলে যান।
এমআইকে/এএস









































































































































































































