ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে কক্সবাজার জেলার চারটি সংসদীয় আসনের বেসরকারি পূর্ণাঙ্গ ফলাফল ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আ. মান্নান আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফল ঘোষণা করেন। ঘোষিত ফলাফলে জেলার চারটি আসনেই বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থীরা।
বিজ্ঞাপন
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি আসনেই বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি প্রার্থীদের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল।
কক্সবাজার–১ (চকরিয়া–পেকুয়া):
চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪০ হাজার ৮৯০ জন। পোস্টাল ব্যালটসহ ১৭৮টি কেন্দ্রে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ পেয়েছেন ২ লাখ ২২ হাজার ১৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল্লাহ আল ফারুক পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৭২৮ ভোট। ৯২ হাজার ২৯১ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন সালাহউদ্দিন আহমদ। এ আসনে ভোটের হার ছিল ৬৭.০৬ শতাংশ।
কক্সবাজার–২ (মহেশখালী–কুতুবদিয়া):
বিজ্ঞাপন
মহেশখালী ও কুতুবদিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৮৫১ জন। পোস্টাল ব্যালটসহ ১২৫টি কেন্দ্রে বিএনপির আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৪৩ ভোট। জামায়াতের ড. এ এইচএম হামিদুর রহমান আজাদ পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৮৯ ভোট। ২৫ হাজার ৭২৮ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন আলমগীর ফরিদ। ভোটের হার ছিল ৬০ শতাংশ।
কক্সবাজার–৩ (সদর–রামু–ঈদগাঁও):
সদর, রামু ও ঈদগাঁও উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৪৫ হাজার ৯৬৩ জন। পোস্টাল ব্যালটসহ ১৮৩টি কেন্দ্রে বিএনপির লুৎফুর রহমান কাজল পেয়েছেন ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৬ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী শহীদুল আলম বাহাদুর পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৮২৭ ভোট। ২০ হাজার ২৬৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন লুৎফুর রহমান কাজল। এ আসনে ভোটের হার ছিল ৬৫.৩১ শতাংশ।
কক্সবাজার–৪ (উখিয়া–টেকনাফ):
উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৬৮৮ জন। পোস্টাল ব্যালটসহ ১১৬টি কেন্দ্রে বিএনপির জেলা সভাপতি শাহাজাহান চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ২৩ হাজার ৫৮২ ভোট। জামায়াতের নূর আহমদ আনোয়ারী পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৩৩ ভোট। মাত্র ১ হাজার ৫৪৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন শাহাজাহান চৌধুরী। এ আসনে ভোটের হার ছিল ৬৭.৯৪ শতাংশ।
জেলার চারটি আসনেই বিএনপি প্রার্থীদের বিজয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। এখন চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশের পর নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন।
প্রতিনিধি/ এজে





























































































































































































































