বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়েছে। যা চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। সকাল থেকে ভোটাররা আসছেন কেন্দ্রগুলোতে। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর তাদের নির্বিঘ্নে ভোট প্রদান করতে দেখা গেছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধা জেলার ৫টি সংসদীয় আসেন মোট ২১ লাখ ৭২ হাজার, ৪৬৮ জন ভোটার রয়েছে। এসব ভোটার ৬৭৫ ভোটকেন্দ্রে ৪০ জন প্রার্থীকে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এখানে ৩৭৯টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ নজরদারি রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসন
এখানে ৮ জন প্রার্থী আছেন। তারা হলেন- ধানের শীষ প্রতীক প্রার্থী খন্দকার জিয়াউল মোহাম্মদ আলী, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মাজেদুর রহমান, লাঙল প্রতীকের শামীম হায়দার পাটোয়ারী, হাতপাখা প্রতীকের রমজান আলী, কাঁচি প্রতীকের পরমানন্দ দাস, প্রজাপতি প্রতীকের কওছর আজম হান্নু, কলস প্রতীকের ছালমা আক্তার ও ঢেঁকি প্রতীক প্রার্থী মোস্তফা মহসিন।
গাইবান্ধা-২ (সদর) আসন
এখানে ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে- ধানীর শীষ প্রতীক প্রার্থী আনিসুজ্জামান খান বাবু, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আব্দুল করিম, লাঙল প্রতীকের আব্দুর রশীদ সরকার, হাতপাখা প্রতীকের মোহাম্মদ আব্দুল মাজেদ, কলম প্রতীকের শাহেদুর জাহান, কাস্তে প্রতীকের মিহির কুমার ঘোষ ও কাঁচি প্রতীক প্রার্থী আহসানুল হাবীব সাঈদ।
বিজ্ঞাপন
গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসন
এখানে ১০ জন প্রার্থী আছেন। তারা হলেন- ধানের শীষ প্রতীক প্রার্থী অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, লাঙল প্রতীকের মইনুর রাব্বী চৌধুরী, ট্রাক প্রতীকের সুরুজ মিয়া, হাতপাখা প্রতীকের এটিএম আওলাদ হোসাইন, কাস্তে প্রতীকের আব্দুল্লাহ আদিল, আপেল প্রতীকের মোছাদ্দিকুল ইসলাম, কলম প্রতীকের মনজুরুল হক, ঘোড়া প্রতীকের এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদি ও ঢেঁকি প্রতীক প্রার্থী আজিজার রহমান।
গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসন
এখানে ৬ জন প্রার্থীর মধ্যে- ধানের শীষ প্রতীক প্রার্থী মোহাম্মদ শামীম কায়সার, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আব্দুর রহিম সরকার, লাঙল প্রতীকের কাজী মো. মশিউর রহমান, হাতপাখা প্রতীকের সৈয়দ তৌহিদুর রহমান তুহিন, কোদাল প্রতীকের আতোয়ারুল ইসলাম ও মোটরসাইকেল প্রতীক প্রার্থী আব্দুর রউফ আকন্দ।
গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসন
এখানে ৯ জন প্রার্থী আছেন। তারা হলেন- ধানের শীষ প্রতীক প্রার্থী ফারুক আলম সরকার, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আব্দুল ওয়ারেছ, লাঙল প্রতীকের শামীম হায়দার পাটোয়ারী, হাতপাখা প্রতীকের আজিজুল ইসলাম, কাঁচি প্রতীকের রাহেলা খাতুন, কাস্তে প্রতীকের শ্রী নিরমল, হাঁস প্রতীকের নাহিদুজ্জামান নিশাদ, ঘোড়া প্রতীকের মেহেদী হাসান বিদ্যুৎ ও মোটরসাইকেল প্রতীক প্রার্থী এইচ এম গোলাম শহীদ রনজু।
সরেজমিনে দেখা গেছে- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে গাইবান্ধার পাঁচটি আসনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থাগ্রহণ করেছে প্রশাসন। এখানকার শৃঙ্খলা রক্ষায় দুর্গম চরাঞ্চলে রয়েছে হেলিকপ্টার। সেইসঙ্গে কয়েক হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরাপত্তা বেষ্টনী আছে। চরাঞ্চলের বিদ্যুৎবিহীন ১১টি কেন্দ্রে জেনারেটরের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
গাইবান্ধার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে গোটা জেলা নিরাপত্তার ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে ৪০ জন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ১ হাজার ১৫০ জন সেনাবাহিনী কর্মকর্তা-সদস্য, ১৫ প্লাটুন বিজিপি, ২ হাজারের বেশি পুলিশ, রাবের ১৫টি টিম, ৮ হাজার ৭৭৫ জন আনসার-ভিডিপির সদস্য এবং অসংখ্য নৌ-পুলিশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।
প্রতিনিধি/এসএস









































































































































































































