আগামীতে এমন সরকার গঠিত হবে তারা ১৮ কোটি মানুষের সরকার হবে। আমরা সেই সরকার গঠনের ব্যাপারে আশাবাদী বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর মণিপুর উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, আগামীতে এমন সরকার গঠিত হোক, যে সরকার কোনো ব্যক্তি, পরিবার বা দলের হবে না; বরং ১৮ কোটি মানুষের সরকার হবে। আমরা সেই সরকার গঠনের ব্যাপারে আশাবাদী।’
আরও পড়ুন: ভোট দিলেন তারেক রহমান
ভোটের পরিবেশ নিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘আমি কেবল কেন্দ্রে এসে ভোট দিলাম। এখন বাকি কেন্দ্রগুলো দেখব, সারা দেশের খবর নেব। ছোটোখাটো কোনো বিষয় হলে আমরা অবশ্যই ইগনোর করব। কিন্তু বড় কোনো বিষয় হলে ছাড় দেব না। মানুষের ভোটের অধিকার হারিয়ে যাক, এটা আমরা কোনোভাবেই চাই না।’

বিজ্ঞাপন
শফিকুর রহমান বলেন, ‘দীর্ঘ দেড় যুগ দেশবাসী কোনো ভোট দিতে পারেনি, আমিও পারিনি। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে আমরা ভোট দেওয়ার সুযোগ পাইনি। তিনটি ভোট হারানোর পর আল্লাহ আজ আমাদের ভোট দেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, শুধু আমি নই, বিশেষ করে যুবসমাজ-যারা জীবনে একটা ভোটও দিতে পারেনি-তারা আজকের এই ভোটের জন্য বড় অপেক্ষায় ছিল। এই ভোট শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু, সন্ত্রাস ও দখলমুক্ত হোক। এটি যেন সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়, সেই দোয়া করি।’
আরও পড়ুন: ফিরল ভোটের উচ্ছ্বাস
ভোটারদের নির্ভয়ে কেন্দ্রে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি-সবাই যার যার ঘর থেকে বেরিয়ে আসুন। নিজের অধিকার প্রয়োগ করুন এবং রাষ্ট্র গঠনের গর্বিত অংশীদার হোন।’
গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মিডিয়া রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। দেশ গড়ার কাজে আমরা মিডিয়াকে পাশে চাই। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আপনাদের ভালোবাসা ও সহযোগিতায় আমরা আগামী দিনগুলোতে একসঙ্গে কাজ করব।’

এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুর রহমান বলেন, ‘মিডিয়ার মধ্যেও একই নিউজ ভিন্নভাবে পরিবেশিত হচ্ছে। কেউ যদি অপরাধ করে থাকে, সে আমি হলেও আমি অপরাধের বিপক্ষে। কিন্তু যা অপরাধ নয়, সেটাকে জোর করে অপরাধ বানানো আরও বড় অপরাধ।’
আরও পড়ুন: ‘১৭ বছর পর ভোট দিয়ে ঈদের খুশি লাগছে’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল থেকেই ভোটারদের উপস্থিতি দেখা গেছে বিভিন্ন কেন্দ্রে। নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে সারাদেশে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে সকাল সাড়ে ৭টায়, যা বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে।

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর একটি মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজেও সকাল থেকে ভোটারদের আনাগোনা ছিল চোখে পড়ার মতো। জামায়াত আমিরের ভোটদানকে কেন্দ্র করে এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সামগ্রিকভাবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এএইচ/এমআই









































































































































































































