নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, জামায়াতের অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেবেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জামায়াতে ইসলামীর একটি প্রতিনিধি দল তিন আসনের কিছু কেন্দ্রে অনিয়মের কারণে ভোট স্থগিতের দাবি জানায়।
ইসি সচিব বলেন, ভোট বন্ধের সুযোগ আছে কি না? হতে পারে। অভিযোগ আছে, সেটা প্রমাণিত হলে…। কারণ আমরা তো এখানে, তথ্য না নিয়ে বলতে পারব না। আগাম বলা উচিত না। আগাম বললে মানুষ বিভ্রান্ত হবেন। সেজন্য অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে, সে অনুযায়ী রিটার্নিং কর্মকর্তা ব্যবস্থা নেবেন। এখন পর্যন্ত নির্বাচন পরিস্থিতিতে সমস্যা নেই।
বিজ্ঞাপন
এর আগে সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় টিমের সদস্য অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল বলেন, কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের অন্তত ৩০টি কেন্দ্র থেকে শুরুতেই এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। আমাদের প্রার্থী অধ্যক্ষ হেলাল উদ্দিন শফিকুল আলম একজন প্রবীণ শিক্ষাবিদ। তিনি নিজে লিখিত আবেদন দিয়ে ভোট বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। কিন্তু রিটার্নিং কর্মকর্তা কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। আমরা সেই আবেদনের কপি সিইসিকে দিয়েছি। এছাড়াও টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভুয়াপুর) আসনের অধিকাংশ কেন্দ্র থেকে তাদের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া নরসিংদী-৪ (বেলাব-মনোহরদী) আসনের বেলাব পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসারের সহায়তায় জোরপূর্বক সিল মারার ঘটনা ঘটেছে। নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে প্রার্থীকে রক্তাক্ত করা হয়েছে। ঝালকাঠি, পাথরঘাটা এবং পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জেও একই ধরনের সংঘাত ও কেন্দ্র দখলের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া শরীয়তপুরের বিভিন্ন আসনেও এজেন্টদের প্রবেশে বাধা ও হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল বলেন, অনিয়মের অভিযোগে প্রধান নির্বাচন কমিশনের কাছে আমরা কুমিল্লা-৮, শরিয়তপুর-২, পটুয়াখালী-১ এ তিনটি আসনের কিছু কেন্দ্রের ভোট স্থগিত চেয়েছি।
এমএইচএইচ/ক.ম









































































































































































































