সারাদেশের মতো বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হলেও রংপুর নগরীর কেন্দ্রগুলোতে ভোটারের উপস্থিতি কম। দু’একজন করে ভোটার আসছেন, দীর্ঘ লাইন নেই। যদিও নগরীর তুলনায় গ্রামাঞ্চলের কেন্দ্রগুলোতে বেশি ভোটার ভোট দিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
নগরীর সেনপাড়া সিটি করপোরেশন উচ্চ বিদ্যালয়, আদর্শপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, ইসলামপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র, লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, কেন্দ্রের বাইরে প্রার্থীদের কর্মী সমর্থকদের ভিড় থাকলেও কেন্দ্রের ভেতরে কোনো ভোটার লাইন নেই। ধীর গতিতে আসছে ভোটাররা। ধীর গতিতে মহিলা ভোটাররা আসলেও পুরুষ ভোটারদের উপস্থিতি একেবারে কম লক্ষ্য করা গেছে।
বিজ্ঞাপন

সেনপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মেরাজুল ইসলাম জানান, তার কেন্দ্রে মোট ভোটার ১৯৩৯ জন। সকাল ১০টা পর্যন্ত আড়াই ঘণ্টায় ভোট পড়েছে ২০০। আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট ভোটার ৪৩৯৮ জন। একই সময়ে ৪০০ ভোটার ভোট দিয়েছেন বলে জানান প্রিসাইডিং অফিসার মনসুর ইসলাম।
ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা শাহিনুর রহমান বলেন, এই কেন্দ্রে মোট ভোটার ২ হাজার ৫ শ ২৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ হাজার ২ শ ৫৪ জন এবং মহিলা ভোটার ১ হাজার ২ শ ৭১ জন। এই কেন্দ্রে ৩০০ ভোট পড়েছে। কেন্দ্রে সকালে ভোটারদের উপস্থিতি ভালো ছিল। এখন একটু কম। হয়ত ১০টার পরে এই উপস্থিতি বাড়বে। কোনো আশঙ্কা নেই। ভোটের পরিবেশ ভালো।

বিজ্ঞাপন

রংপুর-১ আসনের গঙ্গাচড়া সরকারি কলেজ কেন্দ্রে গিয়েও ভোটারের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়নি। ধীরে ধীরে ভোটার এসে ভোট দিচ্ছেন। ভোটার লুলু মিয়া বলেন, দুপুর নাগাদ হয়ত ভোটার বাড়বে। ওই কেন্দ্রে মোট ভোটার ২০৭৬ জন। প্রিসাইডিং অফিসার মোহাম্মদ কিবরিয়া জানান, সকাল ১০টা পর্যন্ত ৪০০ জন ভোটার ভোট দিয়েছেন।
অন্যদিকে রংপুর জেলার অন্যান্য আসনগুলোতে সকাল থেকে মহিলা ভোটারদের লাইন দেখা গেলেও পুরুষ ভোটারদের লাইন দেখা যায়নি। তবে নগরীর তুলনায় গ্রামাঞ্চলের ভোট কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা সূত্রে জানা যায়, রংপুর জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ২৫ লাখ ৯৯ হাজার ২০২ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ১৩ লাখ ৬ হাজার ৩৩৩ জন এবং পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ১২ লাখ ৯২ হাজার ৮৩৮ জন। হিজড়া ভোটার রয়েছে ৩১ জন। জেলায় মোট ৮৭৩টি কেন্দ্রে ৪ হাজার ৯৮৮টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে আটশো ৭৩ জন প্রিজাইডিং, পাঁচ হাজার ১৮ জন সহকারী প্রিজাইডিং এবং ১০ হাজার পোলিং অফিসার ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এদিকে ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের জন্য রংপুর জেলার ভোটকেন্দ্রে পুলিশ মোতায়েনসহ কেন্দ্রের বাহিরে সিটি করপোরেশন, ইউনিয়ন ও পৌরসভা এলাকায় মোবাইল টিম, স্ট্রাইকিং ফোর্স, প্রস্তুত রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি বডিওর্ন ক্যামেরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে এসব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
প্রতিনিধি/এসএস









































































































































































































