গতকাল ইরানে একযোগে হামলা চালায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। ইরানে এ যৌথ হামলার বিভিন্ন ভিডিও যখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভেসে বেড়াচ্ছে তখনই মুশফিকুর রহিম জানান, সৌদি আরবে আটকে পড়েছেন তিনি।
পবিত্র উমরাহ পালন করতে সৌদি আরবের মক্কায় গিয়েছিলেন মুশফিক। উমরাহ পালন শেষে গতকাল দেশে ফেরার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথ হামলা চালানোর পর ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালায়। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ হয়ে ওঠে অনিরাপদ। এমন অবস্থায় ফ্লাইট বাতিল হওয়ার হিড়িক ওঠে।
বিজ্ঞাপন
জেদ্দা বিমানবন্দর থেকে দুবাই হয়ে দেশে ফেরার কথা ছিল মুশফিকের। কিন্তু যুদ্ধাবস্থার কারণে মুশফিকের বিমান আবার জেদ্দায় ফিরে যায়। মুশফিক ফেসবুক স্ট্যাটাসে জানান, আরও অনেক যাত্রীর মত তিনিও জেদ্দা বিমানবন্দরে আটকা পড়েছেন।
এরপর মুশফিকের দেশে ফেরার বিষয়টি নিয়ে অনেক ভক্ত-সমর্থকই চিন্তিত হয়ে পড়েন। তবে আজ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক গণমাধ্যমকে বলেছেন, 'আমি ব্যক্তিগতভাবে এটা মনিটর করছি। ইতোমধ্যে আমার সাথে মুশফিকুর রহিমের কথাও হয়েছে। আমাদের ক্রিকেট বোর্ডের সাথে কথা হয়েছে। আশা করছি একটা ফিরতি ফ্লাইটে আগামীকাল সকালেই দেশে ফিরতে পারবে মুশফিক। এখনো পর্যন্ত মুশফিক ভালো আছে, সুস্থ আছে।'

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুশফিক লিখেছিলেন, 'আসসালামু আলাইকুম সবাইকে, কয়েকদিন আগে আমি উমরাহ হজ পালন করার জন্য মক্কায় এসেছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ, আমি আমার হজ সম্পন্ন করেছি এবং আজ এমিরেটস এয়ারলাইন্সে দুবাই হয়ে বাংলাদেশে ফিরছিলাম। আজ সকালে আমরা জেদ্দা থেকে দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে ইকে ০৮০৬ ফ্লাইটে রওনা দিই। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সব ফ্লাইট আবার জেদ্দায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এখন আমি জেদ্দা বিমানবন্দরে হাজার হাজার যাত্রীর সঙ্গে অবস্থান করছি।'
বিজ্ঞাপন
'সর্বশক্তিমান আল্লাহই ভালো জানেন, কবে এবং কীভাবে আমরা ঢাকায় ফিরব। সবার কাছে দোয়া কামনা করছি।'-যোগ করেন তিনি।








































































