দক্ষিণ ইরানের ফার্স প্রদেশের লামার্দ শহরে একটি জিমনেশিয়ামে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ২০ জন নারী ভলিবল খেলোয়াড় ও একজন কোচ নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে।
ইরানের টেলিভিশন চ্যানেল আল মায়েদান ও এসএনএন জানায়, বন্ধ দরজার অনুশীলনের সময় জিমে এই হামলা চালানো হয়। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে এসএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তত চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ওই এলাকায় আঘাত হানে। হামলার জন্য ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছে ইরান।
বিজ্ঞাপন
এর আগে শনিবার সকালে একই শহরের একটি জিমে হামলার ঘটনায় প্রথমে ১৫ জনের বেশি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি জানিয়েছে, হামলার সময় ভবনের ভেতরে কয়েকজন শিশুও উপস্থিত ছিল।
এদিকে তাসনিম নিউজ দাবি করেছে, লামার্দ শহরের আরও চারটি স্থাপনায় হামলা হয়েছে। ইরানের ত্রাণ সংস্থা ইরানি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, দেশজুড়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় নিহতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে এবং আহত হয়েছেন অন্তত ৭৪৭ জন।
ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ভলিবল ফেডারেশন (এফআইভিবি)। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এফআইভিবি সহযোগিতা, সংলাপ, শান্তি ও সংহতিতে বিশ্বাস করে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি উত্তেজনা প্রশমিত করে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খুঁজে বের করার আহ্বান জানাই আমরা।’
এই হামলার ফলে ভলিবল সংশ্লিষ্ট বহু মানুষ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে জরুরি মানবিক সহায়তা দেওয়ার জন্য একটি বিশেষ দল গঠনের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে তারা।
বিজ্ঞাপন
এফআইভিবি তাদের বিবৃতিতে শান্তি, সংলাপ ও সংহতির ওপর গুরুত্বারোপ করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি উত্তেজনা কমিয়ে শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়েছে।
এসটি














































































































