ইরানে হামলার পর তেলআবিবের স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ৮টা (বাংলাদেশ সময় ১২টা ১৫ মিনিট) থেকে ইসরায়েল জুড়ে সাইরেন বেজে ওঠে।
এর মাধ্যমে দেশটির জনগণকে ইরানের সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি সম্পর্কে সতর্ক করা হয়। খবর বিবিসির।
বিজ্ঞাপন
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার কঠোর জবাব দিতে এরই মধ্যে ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে হামলা শুরু করেছে ইরান। দেশটির এক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানান।
একজন ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে তেহরান শক্ত প্রতিক্রিয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তিনি বলেন, পাল্টা হামলাগুলো হবে ‘ক্রাশিং’ বা ‘চূর্ণবিচুর্ণকর’ এবং কঠোর।
ইরানের হামলার ভয়ে ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সারা দেশে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারির নির্দেশ দিয়েছে। এর ফলে দেশটির প্রধান হাসপাতালগুলো তাদের কার্যক্রম মাটির নিচে বা আন্ডারগ্রাউন্ড ফেসিলিটিতে স্থানান্তর করা শুরু করেছে।
বিজ্ঞাপন
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ এবং যুদ্ধ এড়াতে মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মধ্যেই শনিবার সকাল থেকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র হঠাৎ করে যৌথভাবে তেহরানসহ ৬ শহরে হামলা শুরু করেছে।
২০০৩ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনী ইরাক আক্রমণের দীর্ঘদিন পর আবার এ বছর ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তম মার্কিন সামরিক সমাবেশ গঠনের নির্দেশ দেন। এদিকে, ইরান বল প্রয়োগের মাধ্যমে আক্রমণের জবাব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেছেন, এটি তাদের প্রতিরোধমূলক হামলা। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হুমকি দূর করার জন্য তেলআবিব এ হামলা চালিয়েছে।
এর আগে গত বছরের জুনেও আগ বাড়িয়ে ইসরায়েল ইরানের ওপর আক্রমণ শুরু করে, যার ফলে টানা ১২ দিন যুদ্ধ চলে ইরানের সঙ্গে। অবশেষে আমেরিকা ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়।
এর পর ৩ দফা ইরানের সঙ্গে আলোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমাবদ্ধ করার পাশাপাশি গাজার হামাস, লেবাননের হিজবুল্লাহ, ইরাকের মিলিশিয়া এবং ইয়েমেনের হুথিসহ এই অঞ্চলে প্রক্সিদের সমর্থন বন্ধ করার বিষয়ে আলোচনা প্রত্যাখ্যান করে ইরান বলেছে যে, এই দাবিগুলি তার সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন।
-এমএমএস















