ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর অফিসে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। একই সঙ্গে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী প্রধানের সদর দফতরেও হামলা চালানো হয়েছে বলেও দাবি করেছে বাহিনীটি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফারস নিউজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, ‘ইহুদিবাদী সরকারের অপরাধী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সরকারের বিমান বাহিনীর কমান্ডারের সদর দফতর লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল।
বিজ্ঞাপন
বিবৃতিতে আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, এই হামলায় অত্যাধুনিক ‘খাইবার’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল।

এদিকে হামলায় সময় নেতানিয়াহু কার্যালয়ে ছিলেন কিনা তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে ইসরায়েল জানিয়েছে, ইরানের এই হামলায় হামলায় কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
পৃথকভাবে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফ এক বিবৃতিতে বলেছে, তারা ইরান থেকে ইসরায়েলি ভূখণ্ডের দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো শনাক্ত করেছে, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেগুলো প্রতিহত করার জন্য কাজ করছে।’
বিজ্ঞাপন
প্রসঙ্গত, ইরানের ‘খাইবার’ বা খোররামশাহর-৪ ক্ষেপণাস্ত্রটি হলো ইরানের খোররামশাহর সিরিজের চতুর্থ প্রজন্মের একটি শক্তিশালী ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা দেশটির সবচেয়ে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর একটি। এটি প্রায় ২,০০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে পারে, ফলে পুরো ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে এর আওতায় রয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় ১,৫০০ থেকে ১,৮০০ কেজি ওজনের শক্তিশালী ওয়ারহেড বহন করতে পারে।
তবে খাইবার ক্ষেপণাস্ত্রটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর গতি— এটি বায়ুমণ্ডলের বাইরে ম্যাক ১৬ বা (ঘণ্টায় প্রায় ১৯,৭৬০ কিলোমিটার) এবং বায়ুমণ্ডলের ভেতরে প্রবেশের পর তা ম্যাক ৮ (ঘণ্টায় প্রায় ৯,৮৮০ কিলোমিটার) গতিতে আঘাত হানতে সক্ষম।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল
এমএইআর

















































































































