ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একটি সূত্রের বরাতে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল-১২ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, শনিবারের এক হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি সম্ভবত নিহত হয়েছেন বলে মূল্যায়ন করছে ইসরায়েলের কর্মকর্তারা। তবে এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কোনো তথ্য জানা যায়নি।
বিজ্ঞাপন
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খামেনির শিগগিরই ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। যদি তা সম্প্রচারিত হয়, তবে সেটি আগেই ধারণ করা হয়ে থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে চ্যানেলটি।
ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন কান জানিয়েছে, খামেনির সঙ্গে ইরানি কর্মকর্তাদের কোনো যোগাযোগ নেই এবং তার বর্তমান অবস্থা অজানা।
এদিকে চ্যানেল-১২ এর এই প্রতিবেদন সম্পর্কে জানতে চাইলে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজকে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমি যতদূর জানি সর্বোচ্চ নেতা এখনও বেঁচে আছেন’।
হামলায় দুজন কমান্ডার নিহত হয়েছেন বলে স্বীকার করে আরাগচি আরও বলেছেন, ‘আমরা সম্ভবত এক বা দুইজন কমান্ডারকে হারিয়েছি, কিন্তু এটি কোনো বড় সমস্যা নয়। উচ্চপদস্থ সব কর্মকর্তা বেঁচে আছেন। সবাই যার যার অবস্থানে আছেন এবং আমরা এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছি। সবকিছু ভালো আছে।’
বিজ্ঞাপন
এরআগে মার্কিন সংবাদমাধ্যমে স্যাটেলাইটে প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, খামেনির প্রাসাদটি ধসে পড়েছে। এটির চারপাশ কালো হয়ে গেছে। এতে বোঝা যাচ্ছে সেখানে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে।
তবে প্রাসাদ ধ্বংস হয়ে গেলেও আয়াতুল্লাহ খামেনিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স একজন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে খবর দিয়েছে।
ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে ‘প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানও সুস্থ রয়েছেন এবং কোনো সমস্যা নেই’। একই তথ্য প্রকাশ করেছে মেহের নিউজ এজেন্সি ও ইসনা নিউজ এজেন্সি।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল, রয়টার্স
এমএইচআর

















































































































































































































































