মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ঢাকা

ফুরিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মজুদ!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৯ পিএম

শেয়ার করুন:

ফুরিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মজুদ!

ইরানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র ব্যয়ভার নিয়ে বিশদ তথ্য ও বিশ্লেষণ সামনে আসতে শুরু করেছে। 

যদিও পেন্টাগন এখনও যুদ্ধের মোট খরচের আনুষ্ঠানিক কোনো হিসাব প্রকাশ করেনি। তবে সামরিক বিশেষজ্ঞরা এই অভিযানের ব্যয় নিয়ে ভয়াবহ পূর্বাভাস দিচ্ছেন।


বিজ্ঞাপন


আনাদোলু নিউজ এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, অভিযানের প্রথম ২৪ ঘণ্টাতেই যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে প্রায় ৭৭৯ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ প্রতি ঘণ্টায় খরচ হচ্ছে প্রায় ৩২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার। 

cost

এর বাইরে বিমান পুনঃস্থাপন, এক ডজনেরও বেশি নৌযান মোতায়েন ও আঞ্চলিক সম্পদ সচল করার মতো প্রাক-আক্রমণ প্রস্তুতিতে অতিরিক্ত আরও ৬৩০ মিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্টিমসন সেন্টারের সিনিয়র ফেলো ক্রিস্টোফার পেবল আলজাজিরাকে জানিয়েছেন, যুদ্ধের গতি প্রকৃতি এবং প্রতিটি অস্ত্রের উচ্চমূল্য বিবেচনা করলে এই ব্যয় কয়েক বিলিয়ন ডলারে গিয়ে ঠেকতে পারে। 


বিজ্ঞাপন


উদাহরণস্বরূপ, ‘সেন্টার ফর নিউ আমেরিকান সিকিউরিটির’ তথ্যমতে, ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডের’ মতো একটি ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ পরিচালনা করতেই প্রতিদিন প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়। ব

র্তমানে পারস্য উপসাগর ও আরব সাগরে একাধিক এ ধরনের গ্রুপ সক্রিয় থাকায় দৈনিক অপারেশনাল খরচ আকাশচুম্বী হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আর্থিক ব্যয়ের চেয়েও বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর অস্ত্রের মজুদ।

ক্রিস্টোফার পেবল আরও সতর্ক করেছেন, ইরান ও তার প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর আক্রমণ মোকাবিলায় যেভাবে উচ্চগতির ইন্টারসেপশন বা ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে, তা অনির্দিষ্টকাল চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। 

বর্তমান গতিতে অভিযান চললে বড়জোর কয়েক সপ্তাহ অস্ত্রের মজুদ অক্ষুণ্ণ থাকতে পারে। ফলে যুদ্ধের আর্থিক স্থায়িত্বের চেয়েও এখন মার্কিন রণকৌশলের প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে দ্রুত ফুরিয়ে আসা উন্নত প্রযুক্তির গোলাবারুদ ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম।

মধ্যপ্রাচ্যের এই বহুমুখী ও ব্যয়বহুল সংঘাত কতদিন স্থায়ী হবে সেটি অনিশ্চিত। ফলে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাজেটে কতটা প্রভাব পড়বে, তা নিয়ে এখন ওয়াশিংটনের অন্দরে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

-এমএমএস

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

টাইমলাইন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর