মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য সম্পর্কে ভাঙন, নেপথ্যে কী?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:২১ পিএম

শেয়ার করুন:

trump
ছবির বামে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ডানে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গ্রেট ব্রিটেন ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের সংযুক্ত রাজ্য যুক্তরাজ্যের সম্পর্কে ভাঙন ধরেছে, সেটি আর আগের মতো নেই। এমনটাই জানিয়েছেন খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

কিন্তু এর নেপথ্যে কী?


বিজ্ঞাপন


গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে ইরানের সরকার পতন এবং দেশটির পরমাণু কর্মসূচি ধ্বংসে যৌথভাবে হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। পাল্টা হামলা চালাচ্ছে ইরানও। তিন দেশের এই সংঘাতে যুক্তরাজ্যকে পাশে চেয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

কিন্তু যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাতের মধ্যে সরাসরি তিনি নিজের দেশকে জড়াতে চান না। উল্টো জানিয়ে দেন, তিনি কোনো দেশের সরকার পতনের পক্ষে নন।

school-iran_
ইরানের একটি স্কুলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় শতাধিক বাচ্চা নিহত হয়। ছবি- সংগৃহীত

এতেই ক্ষুব্ধ হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষ্যাপাটে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ইরানে মার্কিন হামলায় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকার ব্যাপক সমালোচনা করেছেন।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সংবাদমাধ্যম দ্য সানের সঙ্গে আলোচনায় ট্রাম্প বলেন, প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার ‘সাহায্য’ করেছেন না। আমি কখনো ভাবিনি, এমন দিন দেখতে হবে। কখনো ভাবিনি, যুক্তরাজ্য থেকে এটা দেখতে পাবো।’

এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘এটা খুবই দুঃখজনক যে, সম্পর্কটি স্পষ্টতই আগের মতো নেই।’

এর আগে সোমবার (২ মার্চ) বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার মন্তব্য করেন, তার সরকার আকাশ থেকে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনে বিশ্বাস করে না। ফলে ইরানের সঙ্গে সংঘাতে জড়াতে অস্বীকৃতি জানান তিনি।

এছাড়া শুরুতে ইরানে আক্রমণের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি যুক্তরাজ্য। যদিও পরবর্তীতে ইরানি স্থাপনাগুলোতে ‘প্রতিরক্ষামূলক’ হামলার জন্য তাদের ঘাঁটিগুলো খুলে দেয়।

এএইচ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger

টাইমলাইন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর