ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যেই মার্কিন নাগরিকদের তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকা ত্যাগ করার জন্য নিজ নাগরিকদের আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া দেশটির আদানায় অবস্থিত পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর ঘাঁটির কাছাকাছি মার্কিন কনস্যুলেট থেকে সব কর্মীদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আঙ্কারায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস বলেছে, ‘নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির কারণে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর আদানার কনস্যুলেট জেনারেল থেকে জরুরি প্রয়োজন নেই; এমন সরকারি কর্মী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।’
বিজ্ঞাপন
একই সঙ্গে ভ্রমণ সতর্কতা জারি করে বলা হয়েছে, ‘তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বসবাসকারী আমেরিকানদের এখনই চলে যাওয়ার জন্য জোরালোভাবে উৎসাহিত করা হচ্ছে।’
এর আগে, গত বুধবার ইরান থেকে তুরস্কের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি করে আঙ্কারা। তবে ওই ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যে পৌঁছানোর আগে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়। তবে তুরস্কের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইরান।
সোমবার এক প্রেস ব্রিফিং ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই গত সপ্তাহে তুরস্ক, সাইপ্রাস এবং আজারবাইজানের দিকে ইরানের হামলার খবরের প্রতিক্রিয়া বলেন, ‘ইরানি ভূখণ্ড থেকে এই দেশগুলোর দিকে কোনও আক্রমণ চালানো হয়নি।’
যুক্তরাষ্ট্র- ইসরায়েল এসব হামলা চালিয়েছে ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, “হামলাগুলো ‘পরিকল্পিত’ হতে পারে, আমরা বারবার সতর্ক করে দিয়েছি যে শত্রুরা ইরান এবং অনান্য বন্ধু দেশের মধ্যে বিভেদ তৈরি করার জন্য কিছু হামলার কাহিনি সাজিয়ে থাকতে পারে।’
বিজ্ঞাপন
বাঘেই আরও বলেছেন, ইরান এই অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে ‘ভালো ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’। তবে যদি অন্য দেশের ভূখণ্ড ইরানের উপর আক্রমণ চালানোর জন্য ব্যবহার করা হয়, তাহলে ইরানের ‘নিজেকে রক্ষা করার অধিকার’ রয়েছে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল
এমএইচআর



























































































































































































































