মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই দীর্ঘপাল্লার একটি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পারমাণবিক সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ‘ডুমসডে মিসাইল’ নামেও পরিচিত।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, মিনিটম্যান–৩ (Minuteman III) নামের ক্ষেপণাস্ত্রটির পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ মঙ্গলবার ক্যালিফোর্নিয়ার ভ্যানডেনবার্গ স্পেস ফোর্স ঘাঁটি থেকে করা হয়। ক্ষেপণাস্ত্রটি হাজার হাজার কিলোমিটার উড়ে প্রশান্ত মহাসাগরের মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের কাছে নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে।
বিজ্ঞাপন
মার্কিন বিমানবাহিনীর গ্লোবাল স্ট্রাইক কমান্ড জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি নিরস্ত্র ছিল এবং এতে দুটি পরীক্ষামূলক রি-এন্ট্রি ভেহিকল ব্যবহার করা হয়। এসব পরীক্ষার মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার নির্ভুলতা, কার্যকারিতা ও নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করা হয়।
তারা আরও জানায়, এই উৎক্ষেপণ কোনো তাৎক্ষণিক বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রতিক্রিয়া নয়; বরং বহু বছর আগে থেকেই পরিকল্পিত নিয়মিত পরীক্ষার অংশ। কয়েক দশক ধরে এ ধরনের ৩০০-র বেশি পরীক্ষা চালানো হয়েছে।

কেন ‘ডুমসডে’ মিসাইল বলা হয়
মিনিটম্যান–৩ যুক্তরাষ্ট্রের স্থলভিত্তিক একমাত্র আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। এটি প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে সক্ষম, ফলে পৃথিবীর প্রায় যেকোনো স্থানে আঘাত হানতে পারে।
এই ক্ষেপণাস্ত্র পারমাণবিক ওয়ারহেড বহন করতে পারে এবং একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সক্ষমতা রয়েছে। পারমাণবিক হামলার ক্ষেত্রে এর ধ্বংসক্ষমতা অত্যন্ত বেশি হওয়ায় এটিকে অনেক সময় ‘ডুমসডে মিসাইল’ বলা হয়।
যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাড়ছে নজর
পরীক্ষাটি এমন সময়ে হয়েছে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করেছে। ফলে এই উৎক্ষেপণ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, এটি কেবল নিয়মিত প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি যাচাইয়ের অংশ।
সূত্র: NDTV












































































































































































