বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

কে হচ্ছেন খামেনির পরবর্তী উত্তরসূরি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১ মার্চ ২০২৬, ১১:০৬ এএম

শেয়ার করুন:

কে হচ্ছেন খামেনির পরবর্তী উত্তরসূরি?

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (৮৬) নিহত হওয়ার পর ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা কে হবেন— তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ আলোচনায় এ পর্যন্ত উঠে এসেছে পাঁচ জনের নাম। এরা হলেন—

মোজতাবা খামেনি: ৫৬ বছর বয়স্ক মোজতাবা খামেনি আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দ্বিতীয় পুত্র। ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, সামরিক বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং আধাসামরিক বাসিজ স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী’র ওপর তার দৃঢ় ও গভীর প্রভাব রয়েছে। তবে ইরানের শিয়া শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রক্ষমতায় পিতা-পুত্রের উত্তরাধিকারকে তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয় না। আরেকটি বাধা হলো— মোজতবা খামেনি খুব উচ্চ পর্যায়ের ইসলামি পণ্ডিত নন এবং এখন পর্যন্ত শাসনব্যবস্থায় তার কোনো আনুষ্ঠানিক ভূমিকা নেই।


বিজ্ঞাপন


আলীরেজা আরাফি: ৬৭ বছর বয়সী আলীরেজা আরাফি ইরানে তেমন পরিচিত ব্যক্তি নন, তবে তিনি খামেনির আস্থাভাজন এবং একজন প্রতিষ্ঠিত ইসলামি পণ্ডিত। আরাফি বর্তমানে ইরানের আলেমদের পরিষদের উপ-চেয়ারম্যান এবং ক্ষমতাশালী গার্ডিয়ান কাউন্সিলের সদস্য। এই কাউন্সিল ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্টের নির্বাচনে প্রার্থীদের বাছাই এবং পার্লামেন্টে পাস হওয়া আইনগুলো যাচাই করে। আরাফি ইরানের মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থারও প্রধান। তবে তিনি রাজনৈতিকভাবে হেভিওয়েট নন এবং সামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নেই।

মোহাম্মদ মেহদি মিরবাঘেরি: ৬০ বছর বয়সী মোহাম্মদ মেহদি মিরবাঘেরি একজন কট্টরপন্থি ইসলামি আলেম এবং ইরানের কেন্দ্রীয় আলেম পরিষদের সদস্য। তিনি ইরানের রক্ষণশীল আলেম-উলামাদের নেতা। ইরানের ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের সমালোচক সংবাদমাধ্যম ইরান ওয়্যারের প্রতিবেদনে অনুসারে, মিরবাঘের তীব্রভাবে পশ্চিমাদের বিরোধী এবং তিনি বিশ্বাস করেন, বিশ্বাসী মুসলিম এবং অবিশ্বাসীদের মধ্যে সংঘাত অনিবার্য। বর্তমানে তিনি ইরানের উত্তরাঞ্চলীয় শহর কোম এর বিজ্ঞান অ্যাকাডেমির প্রধান।

হাসান খোমেনি: ৫০ বছর বয়স্ক হাসান খোমেনি ইরানের ইসলামি বিপ্লবের শীর্ষ নেতা এবং দেশটির প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির নাতি। তিনি বর্তমানে খোমেনির সমাধিসৌধের প্রধান রক্ষকের দায়িত্বে আছেন। তবে এখন পর্যন্ত তিনি সরকারের প্রশাসন পর্যায়ের কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে আসেননি। ইরানের সামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর ওপরেও তার প্রভাব কম। তবে তিনি তার অনেক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর তুলনায় কম কঠোর মনোভাবের।

এফএ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger

টাইমলাইন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর