মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

ইরানের বিভিন্ন স্থানে নতুন করে বিস্ফোরণ, প্রাণহানি বেড়ে ১৩৩২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৪:১৯ পিএম

শেয়ার করুন:

ইরানের বিভিন্ন স্থানে নতুন করে বিস্ফোরণ, প্রাণহানি বেড়ে ১৩৩২
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় বিস্ফোরণের পর ইরানের একটি এলাকায় ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়।

ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশটির বিভিন্ন স্থানে নতুন করে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। এতে অনেক স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতি হলেও প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বোমা হামলায় গত শনিবার থেকে এখন পর্যন্ত ১৩৩২ জন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে।

ইরান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির বরাত দিয়ে প্রাণহানির এই তথ্য দিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।


বিজ্ঞাপন


গত শনিবার ইরানে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। প্রথম দিনের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। কয়েক দিন ধরে চলা সংঘাতে প্রাণ হারান সহস্রাধিক মানুষ।

জবাবে ইরানও পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। হামলায় ইসরায়েলের পাশাপাশি বাহরাইন, সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরাকে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এই যুদ্ধের শেষ পরিণতি কী হবে তা এখনো অজানা। এমন অবস্থার মধ্যে এখনো পাল্টাপাল্টি হামলা চালানো হচ্ছে।

শুক্রবারও ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন প্রদেশে হামলার খবর এসেছে গণমাধ্যমে।

ইরানের ফার্স প্রদেশের ডেপুটি গভর্নর জলিল হাসানি জানান, শিরাজ শহরে সাম্প্রতিক মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় ২০ জন নিহত এবং ৩০ জন আহত হয়েছেন।


বিজ্ঞাপন


তাকে উদ্ধৃত করে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, শহরের জিবাসহর অঞ্চলের একটি আবাসিক এলাকায় হামলা চালানো হয়েছে। এতে বেশ কয়েকজন নিরপরাধ নাগরিক মারা গেছেন।

ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহান্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকে ইরানে অন্তত ১৮১ শিশুর প্রাণ গেছে।

ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী জানায়, হামলার প্রথম দিনে দক্ষিণ ইরানের মিনাব এলাকায় একটি বালিকা বিদ্যালয়ে হামলা চালানো হয়, যাতে অন্তত ১৭৫ জন স্কুলছাত্রী নিহত হয়।

ইরানে বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনাতেও হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রেসিডেন্ট পির হোসেইন কোলিভান্দ বলেন, হামলায় তিন হাজার ৬৪৩টি বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে বাড়ি তিন হাজার ৯০টি।

এ ছাড়া ৫২৮টি বাণিজ্যিক কেন্দ্র ও সেবাকেন্দ্র, ১৪টি চিকিৎসা স্থাপনা এবং রেড ক্রিসেন্টের ৯টি স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও তিনি জানান। হামলার বেশিরভাগ লক্ষ্য ছিল ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকা।

এমআর

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger

টাইমলাইন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর