রোববার, ২১ এপ্রিল, ২০২৪, ঢাকা

হাজিরা আল্লাহর মেহমান

হারুন জামিল
প্রকাশিত: ১৬ জুন ২০২৩, ১১:৪৯ এএম

শেয়ার করুন:

হাজিরা আল্লাহর মেহমান

কাবা বায়তুল্লাহ। মহান আল্লাহর ঘর। এ ঘরকে কেন্দ্র করে তাবৎ দুনিয়ার বিশ্বাসীরা যুগে যুগে একত্রিত হয়েছে। মহান আল্লাহর কাছে নিজের আকুতি পেশ করেছে। হৃদয়ের সবটুকু আবেগ ভালবাসা উজাড় করে উচ্চারণ করেছে, প্রভু হে! আমি হাজির। তোমার দুয়ারে আমি হাজির হয়েছি। মস্তক অবনত চিত্তে ঘোষণা করেছে, তুমি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। তোমার সমকক্ষ কেউ নেই। তোমার কোনো শরিক নেই। চিরঞ্জীব একমাত্র তুমি। তোমার হুকুম লঙ্ঘনের অধিকার কারো নেই। হে মহা মহীয়ান। আমাদেরকে ক্ষমা করো। আমাদের সব অক্ষমতা দূর করো। আমাদেরকে আলোকিত করো। হৃদয়ের সব কালিমা দূর করো। হে মহা পবিত্র সত্ত্বা। আমাকে কবুল করো।

বলা হয়, কাবা হেদায়েতের বাতিঘর। এখান থেকেই অন্ধকার দূরীভূত হয়েছে কালে কালে। মানব মুক্তির পয়গাম ছড়িয়ে পড়েছে দিকে দিকে। হেরার রশ্মিতে জুলমাত দূর হয়েছে। পৃথিবীতে আল্লাহর বাণী প্রচারকারী নবী রাসূলগণ এই গৃহে এসেছেন। এই কাবাঘর ঘিরেই নাজিল হয়েছে মহাসত্যের বাণী। প্রথম মানব হজরত আদম (আ.) এই গৃহের সূচনা করেছেন। সাড়ে চার হাজার বছর আগে হজরত ইবরাহিম (আ.) ও তাঁর পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.) এই গৃহ নতুন করে সংস্কার করেছিলেন।


বিজ্ঞাপন


মক্কার নির্জন প্রান্তরে এ গৃহের আঙিনায় হজরত ইবরাহিম (আ.) শিশুপুত্র ইসমাইল ও মা হাজেরাকে আল্লাহরই হুকুমে রেখে যান। এই সে কাবা গৃহ। যেখানে রেখে যাওয়ার সময় মা হাজেরার হৃদয়স্পর্শী প্রশ্নের জবাবে হজরত ইবরাহিম (আ.) শুধু আল্লাহর আরশের দিকে তাকিয়েছিলেন। এই সেই মক্কা আল মুকাররমা। 

যে শহরকে রিজিক ও সম্মানে ভূষিত করার দোয়া করেছিলেন হজরত ইবরাহিম (আ.)। যেখানে পিপাসার্ত ইসমাইলের জন্য পানির অন্বেষণে পাহাড়ি প্রান্তরে দিগ্বিদিক দৌড়াদৌড়ি করেছিলেন মা হাজেরা। মহান আল্লাহর হুকুমে তৈরি হয়েছিল অলৌকিক পানির প্রস্রবন। যা আজো বিদ্যমান রয়েছে। মক্কার অনতিদূরে মিনায় আল্লাহর হুকুম তামিল করতে ইসমাইলকে জবেহ করতে উদ্যত হয়েছিলেন তাঁরই খলিল হজরত ইবরাহিম (আ.)। কাবা বায়তুল্লাহ, মিনা, মুজদালিফা-আরাফাতের ময়দান ঘিরেই নাজিল হয়েছে হজ-ওমরার আহকাম।

হজ আল্লাহর হুকুম। ফরজ ইবাদাত। ওলামায়ে কেরাম ও ঐতিহাসিকদের মধ্যে মতভেদ সত্বেও প্রসিদ্ধ বর্ণনা হচ্ছে, নবম হিজরির শেষদিকে মুসলমানদের ওপর হজ ফরজ হয়। প্রথম হজে হজরত আবু বকর (রা.)-কে আমির নিযুক্ত করা হয়েছিল হজ পরিচালনার। হজরত আলী (রা.) রাসুলুল্লাহর (স.) ঘোষণা নিয়ে হজে গমন করেন। প্রথম হজে ৩০০ মুসলমান অংশ নিয়েছিলেন। 

দশম হিজরিতে রাসুলুল্লাহ (স.) সপরিবারে হজ করেন। এটিই ছিল বিদায় হজ। লক্ষাধিক মুসলমান রাসুলুল্লাহর (স.) সাথে এ হজে অংশ নিয়েছিলেন। হজ প্রত্যেক মুসলমানের জন্য শারীরিক ও আর্থিক ইবাদত। হজ পালনকারীকে আল্লাহর মেহমান হিসাবে সম্মানিত করা হয়েছে। পবিত্র কোরআনে ১০২ বার হজ শব্দটি উল্লেখিত হয়েছে।

হজের শাব্দিক অর্থ ‘জিয়ারতের সংকল্প’। আল্লাহর সান্নিধ্য পাওয়ার উদ্দেশ্যে মুসলমানরা পবিত্র কাবা তাওয়াফ বা জিয়ারতের সংকল্প নিয়ে ছুটে আসে বলেই এর নাম রাখা হয়েছে হজ। হজ ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের একটি এবং অকাট্য একটি ফরজ ইবাদত। মহান আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের এক মহামিলন অনুষ্ঠান। হজের এ বিধানটি বিশ্ব-ভ্রাতৃত্বের উৎকৃষ্ট নিদর্শন।

হজ একটি কষ্টসাধ্য ইবাদাত। হজ ফরজের জন্য শারীরিক ও আর্থিক সামর্থ্য থাকা জরুরি। হজ কোনোকালেই সহজ ছিল না। আধুনিককালে কয়েকঘণ্টা বিমান ভ্রমণ করেই পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে সৌদি আরব পৌঁছানো যায়। কিন্তু মাত্র চার-পাঁচ দশক আগেও এতটা সহজে গন্তব্যে পৌঁছানোর কথা কল্পনাও করা যেত না। তখন বেশিরভাগ হজযাত্রীই পানিপথে জাহাজে মক্কায় যেতেন। শুধুমাত্র মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে হাজিরা সড়কপথে হজের সুযোগ পেতেন। অনেকে পায়ে হেঁটেও হজ পালন করতেন। সে এক বন্ধুরযাত্রা! পরিবার পরিজন থেকে বিদায় নিয়ে যেতেন আল্লাহর রাহে। 

বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রীরা তৎকালীন বোম্বাই গিয়ে জাহাজে উঠতেন। হজে গমনকারী ব্যক্তি নির্দিষ্ট দিনে সারা গ্রাম ঘুরে প্রত্যেকের কাছে ভুলত্রুটি মাফ চেয়ে রওনা হতেন। গ্রাম কিংবা শহরের মহল্লাবাসী হজযাত্রীকে এগিয়ে গাড়ীতে উঠিয়ে দিয়ে আসতেন। অনেকেই হজ করতে গিয়ে আর কখনোই ফিরে আসেননি। এমন নজির অসংখ্য। আবার হজ শেষে ফিরে আসা হাজিকে দেখতে বাড়িতে প্রচুর ভিড় হত। তার কাছ থেকে হজের কাহিনী মক্কা মদিনার কাহিনী শুনে মানুষ আপ্লুত হত। আমাদের শৈশবে হজ শেষে ফিরে আসা হাজিদের দেখেছি। তাদের কাছে শুনেছি নানান কাহিনি। খুবই বালককালে আমাদের এলাকার এক হাজি সাহেবকে দেখেছিলাম একটি ছোট্ট স্থির ক্যামেরায় হজের বিভিন্ন চিত্র, মক্কা মদিনার ঐতিহাসিক জায়গাগুলোর ছবি এনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের দেখাতে। আমরা গোল হয়ে মসজিদে বসে সে ছবি দেখে আপ্লুত হয়েছিলাম। 

সমুদ্রপথে মাসাধিককাল জাহাজে ভেসে মক্কায় পৌঁছাতেন হাজি সাহেবরা। পথে কেউ মারা গেলে লাশ পানিতে ভাসিয়ে দেয়া হত। একথা শুনে আমাদের শিশুমন সন্ত্রস্ত হয়ে উঠত। যারা হেঁটে হজে যেতেন। তাদের কাফেলা বন্ধুর যাত্রাপথে কত কষ্ট সইত। ভাবলে বিস্মিত হতে হয়। এখন আর সে যুগ নেই। কষ্টসাধ্য হজ এখন অনেকটাই সহজ হয়ে গেছে।

প্রায় প্রায় সাড়ে চার হাজার বছর আগে আল্লাহর নির্দেশে হজরত ইবরাহিম (আ.) সর্বপ্রথম হজের প্রবর্তন করেন। এরপর থেকে নবী-রসুল পরম্পরায় চলে আসছে হজ পালনের বিধান। পবিত্র কোরআনের সুরা বাকারার ১২৫ নম্বর আয়াতে কাবাঘর নির্মাণ সম্পর্কে বলা হয়েছে- ‘আর আমি যখন কাবাঘরকে মানুষের জন্য সম্মিলন ও নিরাপত্তার স্থান করলাম, আর তোমরা ইবরাহিমের দাঁড়ানোর জায়গাকে নামাজের জায়গা বানাও। আর আমি ইবরাহিম ও ইসমাইলকে আদেশ করলাম ঘরটিকে খুব পবিত্র রেখো তাওয়াফকারী ও অবস্থানকারী লোকদের জন্য এবং রুকু-সিজদাকারীদের জন্য।’

হজ প্রবর্তনের আগে হজরত ইবরাহিম (আ.) আল্লাহর নির্দেশে পুত্র ইসমাইল (আ.)-কে সঙ্গে নিয়ে পুনর্নির্মাণ করেন কাবাঘর। কাবাঘরটি হজরত আদম (আ.) ফেরেশতাদের সহায়তায় সর্বপ্রথম নির্মাণ করেন। হজরত ইবরাহিম জিবরাইল (আ.)-এর সাহায্যে একই ভিতে অর্থাৎ হজরত আদম (আ.) কর্তৃক নির্মিত কাবার স্থানে এর পুনর্নির্মাণ হয়। নির্মাণকাজ শেষ হলে ইবরাহিম (আ.)-এর প্রতি নির্দেশ হলো হজব্রত পালনের।

আল্লাহ তাআলা হজরত জিবরাইল (আ.) মারফত তাঁকে হজের সব আহকাম অবহিত করেন। ইবরাহিম (আ.) তাঁর পুত্র ইসমাইল (আ.)-কে নিয়ে কাবাঘর সাতবার তাওয়াফ করেন, চুম্বন করেন হাজরে আসওয়াদ এবং একে একে সম্পন্ন করেন সব আহকাম। এরপর আল্লাহর নির্দেশ এলো হজের দাওয়াত বিশ্ববাসীকে পৌঁছে দেওয়ার।

হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘যখন হজরত ইবরাহিম (আ.)-কে হজ ফরজ হওয়ার কথা ঘোষণা করার আদেশ দেওয়া হয় তখন তিনি আল্লাহর কাছে আরজ করলেন, এটা তো জনমানবহীন প্রান্তর। এখানে ঘোষণা শোনার মতো কেউ নেই। যেখানে ঘনবসতি আছে সেখানে আমার আওয়াজ কীভাবে পৌঁছবে? আল্লাহ বললেন, তোমার দায়িত্ব শুধু ঘোষণা দেওয়া। পৌঁছানোর দায়িত্ব আমার। হজরত ইবরাহিম (আ.) তখন মাকামে ইবরাহিমে দাঁড়িয়ে ঘোষণা দিলেন। আল্লাহ তা উচ্চ করে দেন।’

কোনো কোনো বর্ণনায় আছে, তিনি আবু কুবায়েস পাহাড়ে আরোহণ করে ঘোষণা দিয়েছিলেন। বর্ণিত আছে, ‘আল্লাহর ইবরাহিম (আ.)-এর সেই আহ্বান জড়জগতের সীমা অতিক্রম করে রুহানি জগতে গিয়ে পৌঁছেছিল এবং লাব্বাইক বলে যেসব রুহ সেই আহ্বানে সাড়া দিয়েছিল আল্লাহ চান তো কিয়ামত পর্যন্ত তারাই পর্যায়ক্রমে আরাফাতের প্রান্তরে সমবেত হবে!’

হজের গুরুত্ব ও তাৎপর্য সম্পর্কে আল্লাহ পাক বলেন, ‘এতে রয়েছে মাকামে ইবরাহিমের মতো প্রকৃষ্ট নিদর্শন। আর যে লোক এর ভিতরে প্রবেশ করেছে, সে নিরাপত্তা লাভ করেছে। আর এ ঘরের হজ করা হলো মানুষের ওপর আল্লাহর প্রাপ্য, যে লোকের সামর্থ্য রয়েছে এ পর্যন্ত পৌঁছার। আর যারা অস্বীকার করবে (তাদের স্মরণ রাখা উচিত) আল্লাহ বিশ্ববাসীর মুখাপেক্ষী নন।’ (সুরা আলে ইমরান: ৯৭)

হজের ফজিলত
১. রাসুল (স.) বলেছেন, ‘আল্লাহর পথে জিহাদকারী এবং হজ ও ওমরা পালনকারীগণ আল্লাহর মেহমান। আল্লাহ তাদের ডেকেছেন, তারা সে ডাকে সাড়া দিয়েছে। অতএব, তারা আল্লাহর কাছে যা চাইবে আল্লাহ তাই তাদের দিয়ে দেবেন।’ (ইবনে মাজাহ: ২৮৯৩) 
২. হজ জিহাদতুল্য ইবাদাত। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (স.) ইরশাদ করেছেন, ‘বয়স্ক, শিশু, দুর্বল ও নারীর জিহাদ হলো হজ ও উমরা পালন করা।’ (নাসায়ি: ২৬২৬) 

৩. হজ দারিদ্রতা দূর করে। আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (র.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (স.) ইরশাদ করেছেন, ‘তোমরা হজ ও ওমরা পালন কর। কেননা হজ ও ওমরা উভয়টি দারিদ্র্য ও পাপরাশিকে দূরিভূত করে। যেমনিভাবে হাপর স্বর্ণ, রৌপ্য ও লোহার মরিচা দূর করে দেয়। আর মাবরুর হজের বদলা হলো জান্নাত।’ (তিরমিজি: ৮১০) 

৪. জারেব বিন আব্দুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (স.) ইরশাদ করেছেন, ‘মসজিদুল হারামে এক ওয়াক্ত সালাত আদায় করা অন্য মসজিদে (এ সালাতটি) এক লাখ বার আদায়ের চেয়েও বেশি সওয়াব।’ (আহমদ: ১৪৬৯৪) 
৫. হজ পূর্ববর্তীকালে সকল গুনাহ মুছে দেয়। আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল (স.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি হজ করে আর তাতে কোনোরূপ অশ্লীল ও অন্যায় আচরণ করে না তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।’ (সুনানে তিরমিজি: ৮১১) 

৬. আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, আমি রাসুলকে (স.) বলতে শুনেছি, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশে হজ করল এবং অশ্লীল কথাবার্তা ও গুনাহ থেকে বিরত থাকল সে ওই দিনের মতো নিষ্পাপ হয়ে হজ থেকে ফিরে আসবে যেদিন মায়ের গর্ভ থেকে ভূমিষ্ট হয়েছিল।’ (সহিহ বুখারি:: ১৫২১, সহিহ মুসলিম: ১৩৫০) 

৭. হজে মাবরুরের প্রতিদান হলো জান্নাত। আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত, রাসুল (স.) ইরশাদ করেছেন, ‘এক ওমরা আরেক ওমরা পর্যন্ত মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহর ক্ষতিপূরণ হয়ে যায়। আর হজে মাবরুরের প্রতিদান তো জান্নাত ছাড়া আর কিছুই নয়।’ (সহিহ বুখারি: ১৭৭৩; সহিহ মুসলিম: ১৩৪৯; মুসনাদে আহমদ: ৭৩৫৪) 

৮. হজরত আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলকে (স.) জিজ্ঞাসা করা হলো, সর্বোত্তম আমল কোনটি? তিনি বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনা। জিজ্ঞাসা করা হলো, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, আল্লাহর পথে জিহাদ করা। জিজ্ঞাসা করা হলো, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, হজে মাবরুর বা কবুল হজ।’ (সহিহ বুখারি: ২৬, সহিহ মুসলিম: ৮৩) 

৯. নারী, বৃদ্ধ, দুর্বল ব্যক্তি ও শিশুদের সর্বোত্তম জিহাদ হলো হজ ও ওমরাহ। উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমরা তো জিহাদকে সর্বোত্তম আমল মনে করি। আমরা কি জিহাদ করব না? তিনি বললেন, না। বরং তোমাদের নারীদের জন্য সর্বোত্তম জিহাদ হলো হজে মাবরুর।’ (সহীহ বুখারি: ১৫২০)
১০. হজ ও ওমরাকারীর দোয়া কবুল করা হয়। জাবির (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল (স.) ইরশাদ করেছেন, ‘হজ ও ওমরাকারীগণ আল্লাহর প্রতিনিধি দল। তারা দোয়া করলে তাদের দোয়া কবুল করা হয় এবং তারা কিছু চাইলে তাদেরকে তা দেয়া হয়।’ (মুসনদে বাজজার: ১১৫৩)

তথ্যসূত্র : হজ বিষয়ক বিভিন্ন নিবন্ধ ও ইন্টারনেট

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

টাইমলাইন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর