বিশ্বকাপ যাত্রার প্রথম ম্যাচেই রেকর্ড গড়লেন ফরাসি স্পিডস্টার কিলিয়ান এমবাপে। জোড়া গোল করে জেতালের ফ্রান্সকে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে সেনেগালের জালে গুণে গুণে মোট তিনবার বল পাঠিয়ে নিজেদের প্রথম ম্যাচটি ৩-১ গোলের ব্যবধানে জিতে নিল ফরাসিরা।
বিজ্ঞাপন
চলতি ফুটবল বিশ্বকাপের ‘আই’ গ্রুপে ফ্রান্স ও সেনেগালের মুখোমুখি লড়াইটি ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এক উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্ত ছিল। এদিন নিউ জার্সিতে দুই দলের মধ্যকার হাইভোল্টেজ ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের গতিপথ সম্পূর্ণ বদলে দেন ফরাসি স্পিডস্টার কিলিয়ান এমবাপের। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে মাইকেল ওলিসের নিখুঁত পাস থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিং করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন এই তারকা ফরোয়ার্ড।

এরপর ৮২ মিনিটে ফরাসিরা দ্বিতীয়বার বল পাঠায় সেনেগালের জালে। এবারের গোলটি করেন ব্র্যাডলি বারকোলা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষে অতিরিক্ত সময়ের পঞ্চম মিনিটে একটি গোল শোধ করে সেনেগাল। সে গোলটি আসে ইব্রাহীম এমবায়ের পা থেকে। ডি বক্সের ডানকোণা থেকে ডান পায়ের জোরালো শটে ফ্রান্সের জালে বল পাঠান তিনি।
বিজ্ঞাপন
কিন্তু পরের মিনিটেই ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দেন এমবাপে। ডি বক্সের অনেকটা বাইরে থেকে তার নেওয়া বুলেট শট আটকাতে পারেননি সেনেগালের গোলরক্ষক। শেষমেশ ৩-১ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ফরাসিরা।
এই ম্যাচে এমবাপের করা গোল দুটির সুবাদে জাতীয় দলের হয়ে তার গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮-তে। এর ফলে দেশের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা অলিভিয়ে জিরুকে ছাড়িয়ে এককভাবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে গেছেন তিনি।
অন্যদিকে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা স্বদেশি মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ড ছুঁতে এমবাপের দরকার আর মাত্র তিনটি গোল।
এদিকে এই ম্যাচটি ২০০২ সালের বিশ্বকাপের স্মৃতি ফিরিয়ে আনে, যেখানে সেনেগাল উদ্বোধনী ম্যাচে তৎকালীন চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল। সেনেগালের জালে তিন গোল দিয়ে তারই ‘কঠিন’ প্রতিশোধ নিল ফ্রান্স।
এএইচ



































































































