নিউ জার্সিতে ফ্রান্স ও সেনেগালের মধ্যে বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে কিলিয়ান এমবাপের ম্যাচের গতিপথ বদলে দিয়েছেন। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে মাইকেল ওলিসের নিখুঁত পাস থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিং করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন এই তারকা ফরোয়ার্ড।
এরপর ৮১ মিনিটে ফরাসিরা আরও একবার বল পাঠায় সেনেগালের জালে। ফলে ২-০ ব্যবধানে গিয়ে এমবাপেরা।
বিজ্ঞাপন
প্রথমার্ধে আক্রমণাত্মক সেনেগাল ফ্রান্সকে চাপে রাখলেও গোল করতে পারেনি, যেখানে ফ্রান্সের খেলায় ছিল ছন্দহীনতা ও সমন্বয়ের অভাব। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশমের নেতৃত্বে দল ধীরে ধীরে ম্যাচে ফিরে আসে।
এই ম্যাচে এমবাপের করা গোলটির সুবাদে জাতীয় দলের হয়ে তার গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৭-তে। এর ফলে দেশের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা অলিভিয়ে জিরুকে ছাড়িয়ে এককভাবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে গেছেন তিনি। অপরদিকে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ড ছুঁতে ফরাসি তারকার আরও চারটি গোল দরকার।
এদিকে এই ম্যাচটি ২০০২ সালের বিশ্বকাপের স্মৃতি ফিরিয়ে আনে, যেখানে সেনেগাল উদ্বোধনী ম্যাচে তৎকালীন চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল। সেই প্রতিশোধের লড়াইয়ে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এগিয়ে ফরাসিরা।



































































































