বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

‘কয়েক ব্যক্তির ভুলনীতি-দুর্নীতির কারণে জ্বালানি জ্বরে ভুগছে দেশ’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬ আগস্ট ২০২২, ১২:৫৫ পিএম

শেয়ার করুন:

‘কয়েক ব্যক্তির ভুলনীতি-দুর্নীতির কারণে জ্বালানি জ্বরে ভুগছে দেশ’

দুই চার জন ব্যক্তির ভুলনীতি ও দুর্নীতির কারণে দেশ জ্বালানি জ্বরে ভুগছে। পেট্রোল ও অকটেনের যে মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে, এর খেসারত পুরো জাতিকে দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ সাধারণ নাগরিক সমাজ।

শনিবার (৬ আগস্ট) সংগঠনের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন আহমেদের পক্ষে প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর শেখ ফরিদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


এতে বলা হয়, ইতিহাস ভঙ্গ করে ডিজেল কেরোসিন, পেট্রোল আর অকটেনের যে মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে এর খেসারত পুরো জাতিকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেবে এতে কোনো সন্দেহ নেই। 

মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, জ্বালানি সেক্টরের দুই-চারজন ব্যক্তির ভুল নীতি ও দুর্নীতির কারণে দেশের সকল জনগণ জ্বালানি জ্বরে ভুগছে। অকটেন এবং পেট্রোল আমরা দীর্ঘদিন যাবত আমদানি না করে গ্যাস এবং ডিজেল রিফাইন কনডেন্সার থেকে এ দুটি জ্বালানি উৎপাদন করা হয়। এ দুটি জ্বালানির মজুদ আমাদের পর্যাপ্ত রয়েছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারের দোহাই দিয়ে দেশীয় উৎপাদিত এই দুটি জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে যা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। 

কিছু প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সুবিধা দিতে গিয়ে এ সংকট মন্তব্য করে তিনি বলেন, বিদ্যুতের চাহিদার সাথে সঙ্গতি না রেখেই বেসরকারি খাতে উৎপাদিত বিদ্যুৎ, ক্যাপটিক পাওয়ার এবং ক্যাপাসিটি চার্জ এর নামে হাজার হাজার কোটি টাকা সুবিধা দেওয়া হয়েছে এ সকল প্রতিষ্ঠানকে। আর এর জন্য জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত প্রতিমন্ত্রী, জ্বালানি উপদেষ্টাসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে কর্ণধার এ সকল সিন্ডিকেট বাণিজ্যের জন্য দায়ী।

ব্যক্তি বিশেষের দুর্নীতির দায়ভার জনগণ দেবে না উল্লেখ করে বলা হয়, সরকার ও কতিপয় ব্যক্তির ভুলনীতি এবং দুর্নীতির দায়ভার দেশের সকল জনসাধারণ নিতে পারে না। সরকারের কাছে আমাদের দাবি খুব দ্রুত বর্তমান যে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে তা প্রত্যাহার করে যুক্তিসঙ্গত মূল্য ঠিক করে জনগণকে বাঁচিয়ে রাখা। আজ সড়কে ডিজেল চালিত গণপরিবহন ও পণ্য পরিবহন এর পাশাপাশি মোটরসাইকেল চলাচল কমে গিয়েছে। হয়তো দু-একদিনের মধ্যেই গণপরিবহনের ভাড়াও বেড়ে যাবে যা সাধারণ নাগরিকদের সামর্থ্যের বাইরে চলে যাবে। পণ্য পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পেলে বেড়ে যাবে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। 


বিজ্ঞাপন


দেশে চরম নৈরাজ্য ও দুর্ভিক্ষ রুখতে জীবনযাত্রা সহনীয় রাখতে বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার করাতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠনটি। 

এমএইচ/এএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger

টাইমলাইন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর