শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ঢাকা

‘ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন করে গণতন্ত্রের দার উন্মোচন হবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৯:২৮ এএম

শেয়ার করুন:

‘ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন করে গণতন্ত্রের দার উন্মোচন হবে’
‘ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন করে গণতন্ত্রের দার উন্মোচন হবে’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের নবযাত্রা শুরু হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্রদল-সমর্থিত সহ-সভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শন এবং নিজের ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের কাছে এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

আবিদুল বলেন, অনেক দীর্ঘ সময় পর ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন করে গণতন্ত্রের দ্বার উন্মোচন হতে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, এটি ইতিবাচক দিক। 


বিজ্ঞাপন


তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা আপনাদের বিবেক খাটিয়ে যোগ্য নেতৃত্ব বেছে নিন। কেউ যেন ভোটাধিকার প্রয়োগ না করে ঘরে বসে না থাকেন। সবাই কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিন।

ভোট শুরুর পর থেকেই ক্যাম্পাসে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ। প্রথমবারের মতো হলে নয়, বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে আটটি কেন্দ্রে হচ্ছে ভোট। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বলে জানা গেছে।

এবারের ৩৮তম ডাকসু নির্বাচনে কেন্দ্রীয় সংসদের ২৮টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ৪৭১ জন প্রার্থী। এর মধ্যে নারী প্রার্থী রয়েছেন ৬২ জন। ভিপি পদে ৪৫ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ১৯ জন এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৫ জন। নারী প্রার্থীদের মধ্যে ভিপি পদে ৫ জন, জিএস পদে ১ জন এবং এজিএস পদে ৪ জন লড়ছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮টি ভোটকেন্দ্রে স্থাপন করা হয়েছে ৮১০টি বুথ। এবার মোট ভোটার সংখ্যা ৩৯ হাজার ৭৭৫ জন। এর মধ্যে ছাত্র ভোটার ২০ হাজার ৮৭৩ জন এবং ছাত্রী ভোটার ১৮ হাজার ৯০২ জন।


বিজ্ঞাপন


ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোতে শিক্ষার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। সকাল ৭টার মধ্যেই প্রতিটি কেন্দ্রে ব্যালট বাক্স পৌঁছে দেওয়া হয় এবং পরে তা উন্মুক্ত করা হয় পোলিং এজেন্ট ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে। সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন ভোট নিশ্চিত করতে নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। ক্যাম্পাস ও আশপাশে মোতায়েন রয়েছে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য।

নির্বাচনের অংশ হিসেবে একজন ভোটারকে এবার মোট ৪১টি ভোট দিতে হচ্ছে, কেন্দ্রীয় সংসদের ২৮টি ও হল সংসদের ১৩টি পদে। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আগ্রহ ও অংশগ্রহণে ইতিবাচক সাড়া মিলছে।

এইউ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger

টাইমলাইন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর