সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক (ইউটিএল)।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ইউটিএলের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. আতাউর রহমান বিশ্বাস এবং সদস্যসচিব অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন এক যৌথ বিবৃতিতে এই শোক প্রকাশ করেন।
বিজ্ঞাপন
বিবৃতিতে নেতারা বলেন, আশির দশকে স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে, পরবর্তীতে ওয়ান-ইলেভেন সরকার এবং দীর্ঘ ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে তিনি ছিলেন গণতন্ত্রের আপসহীন সৈনিক। দেশের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা রক্ষায় তাঁর অটল নেতৃত্ব এবং ত্যাগ অনস্বীকার্য। খালেদা জিয়া চাইলে আরামের জীবন বেছে নিতে পারতেন, কিন্তু তিনি দেশের স্বার্থে সে পথ বেছে নেননি। ফলশ্রুতিতে তাঁকে দীর্ঘদিন কারাবরণ করতে হয়েছে এবং চিকিৎসাসেবা থেকেও বঞ্চিত করা হয়েছিল। তাঁর এই আত্মত্যাগ দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় জনগণের জন্য চিরকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না;বরং তিনি ছিলেন অসীম ত্যাগ, সহিষ্ণুতা, সাহসিকতা ও বিচক্ষণতার প্রতীক। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ এবং মুসলিম জাতীয়তাবাদ নতুন মাত্রা পেয়েছে। তিনি ছিলেন একজন উদার মুসলিম নারী, যিনি আপোষহীনভাবে দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষায় তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছেন।
নেতারা বলেন, স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে তাঁর দৃঢ় অবস্থান ও আপোষহীন নেতৃত্ব জাতিকে বারবার অনুপ্রাণিত ও আন্দোলিত করেছে। প্রতিকূলতা, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও কারাবাস সত্ত্বেও তিনি কখনো নীতিগত অবস্থান থেকে সরে যাননি, যা একজন রাজনৈতিক নেতার জন্য বিরল দৃষ্টান্ত। তাঁর মৃত্যু দেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।
ক.ম/




















































































































































