- রাজশাহী বিভাগে আসন সংখ্যা ৩৯টি
- বিএনপি পেয়েছে ২৮টি, জামায়াত ১১টি
- বগুড়া ও নাটোর বিএনপির, চাঁপাই জামায়াতের
- বেশির ভাগ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
এবারের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী যে কয়টি বিভাগকে বিশেষভাবে টার্গেট করেছিল এর মধ্যে রয়েছে রাজশাহীও। তবে রংপুর ও খুলনায় বেশ ভালো করলেও প্রত্যাশিত ফলাফল পায়নি রাজশাহী বিভাগে। এই বিভাগে জামায়াতের তিন গুণের কাছাকাছি আসনে জয় পেয়েছে বিএনপি।
বিজ্ঞাপন
এই বিভাগের আট জেলার ৩৯টি আসনের ২৮টিতে জিতেছে বিএনপি। আর জামায়াত জিতেছে ১১টি আসনে। এর মধ্যে বগুড়া ও নাটোরের সব আসনে জয় পেয়েছে বিএনপি। আর চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি আসনেই বাজিমাত করেছে জামায়াত। অন্য জেলাগুলোতে ভাগাভাগি হয়েছে। যদিও বিএনপির আসন সংখ্যা জামায়াতের চেয়ে বেশি।
জয়পুরহাট জেলা
এ জেলায় দুটি আসন। এর মধ্যে বিএনপি একটি এবং জামায়াত একটি আসন পেয়েছে।
জয়পুরহাট-১ (সদর ও পাঁচবিবি): এই আসনে-জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ফজলুর রহমান সাঈদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬৫ হাজার ৭৮৯ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে মাসুদ রানা প্রধান পেয়েছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৮২৪ ভোট।
বিজ্ঞাপন
জয়পুরহাট-২ (কালাই, ক্ষেতলাল, আক্কেলপুর): এই আসনে বিএনপি প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে আব্দুল বারী পেয়েছেন ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫ ভোট। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এসএম রাশেদুল আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯২ হাজার ৫১৭ ভোট।
বগুড়া জেলা
এই জেলায় সব কটি আসনেই জয়লাভ করেছে বিএনপি। জামায়াতের প্রার্থী থাকলেও তারা তেমন সুবিধা করতে পারেনি।
বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা): এই আসনে বিএনপির প্রার্থী প্রতীকে কাজী রফিকুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৮৬১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মো. শাহাবুদ্দিন পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৯৩৩ ভোট।
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ): এই আসনে বিএনপির প্রার্থী মীর শাহে আলম ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৫৪৮ ভোট। আসনডিটতে জাতীয় নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না কেটলি প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৪২৬ ভোট।
বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদীঘি): এই আসনে বিএনপির আব্দুল মহিত তালুকদার ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ৪০৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নূর মোহাম্মদ পান ১ লাখ ১১ হাজার ২৬ ভোট।
বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম): এই আসনে বিএনপির মোশারফ হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৩৯ ভোট। জামায়াত প্রার্থী মোস্তফা ফয়সাল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৯৭৮ ভোট।
বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট): এই আসনে বিএনপির প্রার্থী জি এম সিরাজ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২ লাখ ৪৮ হাজার ৮৪১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী দবিবুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩২৯ ভোট।

বগুড়া-৬ (সদর): এই আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ধানের শীষ প্রতীকে ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আবিদুর রহমান পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট।
বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর): এই আসনে বিএনপির প্রার্থী মোর্শেদ মিলটন ধানের শীষ প্রতীকে ২ লাখ ৬২ হাজার ৫০১ ভোট। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের গোলাম রব্বানী পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ১৮৪ ভোট।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা
চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি আসনেই বিএনপি প্রার্থীকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থীরা। আসনটিতে বিগত সময়ে বিএনপি বরাবরই জয়লাভ করলেও এবার তারা ভালো করতে পারেনি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ): এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী ড. কেরামত আলী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ২০৬৮৯৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা শাহ্জাহান মিয়া পেয়েছেন ১৬২৫১৫ ভোট।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (নাচোল, গোমস্তাপুর, ভোলাহাট): এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. মিজানুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ২২৭। বিএনপির প্রার্থী আমিনুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ১১৯ ভোট।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর): এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী নুরুল ইসলাম বুলবুল পেয়েছেন ১ লাখ ৮৯ হাজার ৬৪০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনত প্রার্থী ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হারুনুর রশীদ পেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ৩৭ ভোট।
নওগাঁ জেলা
এই জেলায় ছয়টি আসনের মধ্যে পাঁচটিতে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং একটি আসনে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
নওগাঁ-১ (সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর): এ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ধানের শীষে পেয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ৮৬৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মাহবুবুল আলম পেয়েছেন ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮১৬ ভোট। মোস্তাফিজুর রহমান ২০ হাজার ৪৮ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন।
নওগাঁ-২ (ধামইরহাট ও পত্নীতলা): এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী এনামুল হক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৫২৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সামসুজ্জোহা খান ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৩৩ ভোট। তাদের ভোটের ব্যবধান ৬ হাজার ৯৯৩ ভোট।
নওগাঁ-৩ (বদলগাছী ও মহাদেবপুর): এই আসনে বিএনপির প্রার্থী ফজলে হুদা বাবুল ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬৪৬। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাহফুজুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৮৩৮ ভোট। তাদের ভোটের ব্যবধান ৪৭ হাজার ৮০৮ ভোট।
নওগাঁ-৪ (মান্দা): এই আসনে বিএনপির প্রার্থী ইকরামুল বারী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮০১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুর রাকিব দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৮১৪ ভোট।
নওগাঁ-৫ (নওগাঁ সদর): এই আসনে বিএনপির প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৩৬৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবু সাদাত মো. সায়েম ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ২৩৬ ভোট।
নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রানীনগর): এ আসনে বিএনপির প্রার্থী শেখ রেজাউল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৭০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খবিরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৮৮৬ ভোট। তাদের ভোটের ব্যবধান ১২ হাজার ১৮৪ ভোট।
রাজশাহী জেলা
রাজশাহীর ছয়টি আসনের চারটিতে জয় পেয়েছে বিএনপি। বাকি দুটিতে জয় পেয়েছে জামায়াত।
রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর): এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক মুজিবুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৭৮৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯০২ ভোট। অধ্যাপক মুজিবুর রহমান ১৯৮৬ সালে এই আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
রাজশাহী-২ (সদর): এই আসনে বিএনপির প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৫৪৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭০ ভোট।
রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর): এই আসনে বিএনপির প্রার্থী শফিকুল হক মিলন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭ হাজার ৯২৭ ভোট।
রাজশাহী-৪ (বাগমারা): এই আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. আব্দুল বারী পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ২২৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ডিএমডি জিয়াউর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ ভোট।
রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর): এই আসনে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মণ্ডল পেয়েছেন ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪২৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাওলানা মনজুর রহমান পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৪৫ ভোট।
রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট): এই আসনে বিএনপির প্রার্থী আবু সাঈদ চাঁদ পেয়েছেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬৭২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের নাজমুল হক পেয়েছেন ৯২ হাজার ৯৬৫ ভোট।
নাটোর জেলা
নাটোরের চারটি আসনে বিজয়ী হয়েছে বিএনপি। এই জেলার কোনো আসনে জামায়াতের প্রার্থীদের সঙ্গে বেশ লড়াইও হয়েছে। আবার কোথাও বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে বিএনপি।
নাটোর-১: এই আসনে বিএনপির ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল পেয়েছেন ১ লাখ ২ হাজার ৪১৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৪১৯ ভোট।
নাটোর-২: এই আসনে বিএনপির অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু পেয়েছেন ১ লাখ ৪২ হাজার ৩৬৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অধ্যাপক মো. ইউনুস আলী পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৭৩৯ ভোট।
নাটোর-৩ (সিংড়া): এই আসনে বিএনপির অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু পেয়েছেন ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৮৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী দাউদার মাহমুদ পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৩০৯ ভোট।
নাটোর-৪ (বড়াইগ্রাম-গুরুদাসপুর): এই আসনে বিএনপির আব্দুল আজিজ পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৪৭১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আব্দুল হাকিম পেয়েছেন ১ লাখ ৩৫ হাজার ৭৭ ভোট।
সিরাজগঞ্জ জেলা
এই জেলায় পাঁচটিতে জয় পেয়েছে বিএনপি বাকি একটিতে জয় পেয়েছে জামায়াত।
সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর-সিরাজগঞ্জ সদরের একাংশ): এই আসনে বিএনপির প্রার্থী সেলিম রেজা ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মাওলানা শাহীনুর আলম পেয়েছেন ১ লাখ ৬ হাজার ৭৩২ ভোট। তাদের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ৮ হাজার ৪০০।
সিরাজগঞ্জ-২ (সিরাজগঞ্জ সদর ও কামারখন্দ): এই আসনে বিএনপি–মনোনীত ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৬৩৮ ভোট। অন্যদিকে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৫৯৫ ভোট। দুই প্রার্থীর মধ্যে ব্যবধান ৪০ হাজার ৪৩ ভোট।
সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ): এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে আয়নুল হক পেয়েছেন ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪৩০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিকশা প্রতিকের ১১–দলীয় ঐক্যের প্রার্থী মুহাম্মদ আবদুর রউফ সরকার পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৮০২ ভোট।

সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া): এই আসনে জামায়াতের রফিকুল ইসলাম খান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৮৭২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী এম আকবর আলী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ২৭৮ ভোট।
সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী): এই আসনে বিএনপি–মনোনীত প্রার্থী আমিরুল ইসলাম খান ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ১ঌ৭ ভোট। অপর দিকে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী আলী আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ১৮৮ ভোট।
সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাহাদপুর): এই আসনে বিএনপি–মনোনীত প্রার্থী এম এ মুহিত ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছন ১ লাখ ৭২ হাজার ১১৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১–দলীয় ঐক্যের শরিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এস এম সাইফ মোস্তাফিজ পেয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ৭০৪ ভোট।
পাবনা জেলা
জেলাটিতে পাঁচটি আসনের মধ্যে তিনটি জামায়াতে ইসলামী এবং বাকি দুইটিতে বিএনপি জয় লাভ করেছে।
পাবনা-১ (সাঁথিয়া): এই আসনে জামায়াতের সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন পেয়েছেন এক লাখ ২৯ হাজার ৯৭৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শামসুর রহমান পেয়েছেন এক লাখ ৪ হাজার ২৪৫ ভোট।
পাবনা-২ (সুজানগর-বেড়া): এই আসনে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য কেএম সেলিম রেজা হাবিব পেয়েছেন ২ লাখ ১৫ হাজার ৪০৬ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী হেসাব উদ্দিন পেয়েছেন ৭৭ হাজার ২৪২ ভোট।
পাবনা-৩: এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর আলী আছগার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৪৭৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাসান জাফির তুহিন পেয়েছেন ১ লাখ ৪৪ হাজার ২০৬ ভোট।
পাবনা-৪: এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী আবু তালেব মন্ডল পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭ হাজার ৬৭৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাবিবুর রহমান হাবিব পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৭৪ ভোট।
পাবনা-৫ (সদর): এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস পেয়েছেন ১ লাখ ৮১ হাজার ৯২৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. ইকবাল হোসাইন পেয়েছেন ১ লাখ ৬৪ হাজার ৯৯৪ ভোট।
এমআইকে/জেবি




















































































































































