দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত ব্যক্তিত্ব ডাকসুর সাবেক ভিপি মাহমুদুর রহমান মান্না। একাধিকবার সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী হয়েছেন। কিন্তু বিজয়ের মুখ দেখেননি। সবশেষ অনুষ্ঠিত হওয়া নির্বাচনে প্রথমে বিএনপির সঙ্গে থাকলেও পরে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নাগরিক ঐক্য থেকে লড়েছেন হেভিওয়েট এই প্রার্থী। কিন্তু শেষ পর্যন্ত স্বপ্নপূরণ হলো না। উল্টো হারিয়েছেন জামানত।
কেটলি প্রতীকে ভোট পেয়েছেন তিনি মাত্র ৩ হাজার ৪২৬। জামানত টিকিয়ে রাখতে তার প্রয়োজন ছিল কমপক্ষে ৩০ হাজার ৪৭৬ ভোট।
বিজ্ঞাপন
বগুড়া জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফজলুল করিম জানান, তিনি কেটলী প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৩ হাজার ৪২৬ ভোট। ফলে এই আসনে তিনি জামানত হারিয়েছেন।
বগুড়া-২ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৪২ হাজার ১৫৫ জন। এর মধ্যে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৮০২টি। যা মোট ভোটারের ৭২ দশমিক ৬৩ শতাংশ।
জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ফজলুল করিম বলেন, নির্বাচনি আইন অনুযায়ী কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেতে হয়।
সে হিসেবে এই আসনে মাহমুদুর রহমান মান্নার জামানত টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন ছিল কমপক্ষে ৩০ হাজার ৪৭৬ ভোট। কিন্তু মান্না পেয়েছেন মাত্র ৩ হাজার ৪২৬ ভোট; যা মোট বৈধ ভোটের প্রায় ১ দশমিক ৪ শতাংশ।
বিজ্ঞাপন
নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা ছিল বগুড়া-১ আসনটি মাহমুদুর রহমান মান্নাকে ছেড়ে দিতে পারে বিএনপি।
তবে শেষ পর্যন্ত দলটি জোটের হিসেবে না গিয়ে নিজেদের প্রার্থী মীর শাহে আলমকে মনোনয়ন দেয়।
তিনি অবশ্য ঢাকা-১৮ থেকেও নির্বাচন করেছিলেন। তবে শেষ পর্যায়ে এখান থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।
বিইউ/এএস




































































































































