দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সদ্য প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে গাইবান্ধার দুটি বিদ্যালয়ের আট পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করেনি। বিদ্যালয় দুটিতে মোট ২৯ জন শিক্ষক-কর্মচারী কর্মরত। শতভাগ অকৃতকার্যের ফলাফলে বিদ্যালয়গুলোর অন্য শ্রেণির শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সাদুল্লাপুর উপজেলার উত্তর দামোদরপুর কাজীপাড়া বালিকা উচ্চবিদ্যালয়টি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৭ সালে জুনিয়র হাইস্কুল হিসেবে এমপিওভুক্ত হয় বিদ্যালয়টি। এ বছর প্রথমবারের মতো বিদ্যালয়টি থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অনুমতি পায় পাঁচ শিক্ষার্থী। তবে তাদের কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।
বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বাকী বিল্লাহ বলেন, বিদ্যালয়ে সাতজন শিক্ষক ও ছয়জন কর্মচারী কর্মরত আছেন। তারা সবাই নিয়মিত বেতন-ভাতা পান। হঠাৎ ফলাফল বিপর্যয়ে তারা সবাই মর্মাহত। আগামী বছর ভালো ফলাফলের জন্য চেষ্টা করা হবে।
অন্যদিকে, পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের মনোহরপুর বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় তিন শিক্ষার্থী। তারা সবাই মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী। তবে তাদের কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টি ২০০৫ সালে এমপিওভুক্ত হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে বিভিন্ন শ্রেণিতে প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী রয়েছে। একজন প্রধান শিক্ষকসহ ১১ জন শিক্ষক ও পাঁচজন কর্মচারী কর্মরত আছেন। তারাও নিয়মিত সরকারি বেতন-ভাতা পান।
বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘এর আগে বিদ্যালয়ের ফলাফল এমন বিপর্যয় হয়নি। তিনজন শিক্ষার্থীই গণিতে ফেল করেছে। এর অন্যতম কারণ গণিতের শিক্ষক ফারুক খালেক দীর্ঘদিন ধরে শারীরিকভাবে অসুস্থ। বর্তমানে তিনি একটি মামলায় কারাগারে আছেন।’
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আতাউর রহমান বলেন, দুটি বিদ্যালয়ে কেন শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে, তা জানতে প্রধান শিক্ষকদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যালয় দুটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রতিনিধি/এসএস









































































