শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ঢাকা

খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জে সংকুচিত কৃষি বাজেট!

আব্দুল হাকিম
প্রকাশিত: ১২ জুন ২০২৬, ১০:৫৯ এএম

শেয়ার করুন:

খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জে সংকুচিত কৃষি বাজেট!
  • মোট বাজেট ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা
  • জিডিপির ০.৬৩ শতাংশ কৃষি খাতে বরাদ্দ
  • ২০১১-১২ সালে কৃষির অংশ ছিল ১০.৬৫ শতাংশ
  • কৃষি খাতকে ‘সংকোচনমূলক’ বলছেন অর্থনীতিবিদরা
  • বাজেট ১৮.৭৩ শতাংশ বাড়লেও কৃষির অংশ কমে নেমেছে ৪.৯৯ শতাংশে

দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কৃষি উৎপাদন বাড়ানো এবং কৃষকের আয় বৃদ্ধির লক্ষ্য সামনে রেখে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে মোট ৪৩ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। বাজেটে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে নগদ সহায়তা প্রদান, কৃষি ঋণ মওকুফ, খাদ্যশস্য সংগ্রহ বৃদ্ধি, সরকারি খাদ্য মজুত সক্ষমতা সম্প্রসারণ এবং মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির মতো একাধিক উদ্যোগ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে বাজেট বিশ্লেষণে অর্থনীতিবিদদের মতে, টাকার অঙ্কে বরাদ্দ কিছুটা বাড়লেও জাতীয় বাজেটের তুলনায় কৃষি খাতের অবস্থান ক্রমেই দুর্বল হচ্ছে। মূল্যস্ফীতি, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তনের চাপ এবং আমদানি নির্ভরতার বাস্তবতায় এই বাজেটকে তারা ‘সংকোচনমূলক’ হিসেবে দেখছেন।


বিজ্ঞাপন


বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ওই বাজেটে কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের জন্য ৪৩ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ০ দশমিক ৬৩ শতাংশ। আগের অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এই খাতে বরাদ্দ ছিল ৩৭ হাজার ১২৬ কোটি টাকা। ফলে টাকার অঙ্কে বৃদ্ধি থাকলেও সামগ্রিক কাঠামোর মধ্যে কৃষির অংশীদারিত্ব খুব বেশি বাড়েনি।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কৃষি খাতকে আধুনিকায়ন, যান্ত্রিকীকরণ এবং প্রান্তিক কৃষকের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন, কৃষিকে জাতীয় সমৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তিতে রূপান্তর করতে সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে চলতি অর্থবছরের পহেলা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি চালু করা হয়েছে, যা আগামী অর্থবছরে আরও সম্প্রসারিত করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ১০০ উপজেলায় ৪২ লাখ ৫০ হাজার কৃষককে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে এবং ধাপে ধাপে দেশের সব কৃষক এতে অন্তর্ভুক্ত হবেন।

এই কর্মসূচির আওতায় ভূমিহীন ও প্রান্তিক কৃষকরা বছরে একবার ২ হাজার ৫০০ টাকা করে নগদ সহায়তা পাবেন। এ খাতে প্রাথমিকভাবে এক হাজার ৬২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সরকারের দাবি, এই উদ্যোগ কৃষকের তাৎক্ষণিক আর্থিক চাপ কমাবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমে উৎসাহ যোগাবে।

একই সঙ্গে কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচি, বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ, ভর্তুকিমূল্যে সার সরবরাহ, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, কোল্ড স্টোরেজ সম্প্রসারণ এবং কৃষিপণ্যের বহুমুখীকরণের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কথা জানানো হয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারি খাদ্যশস্য ধারণক্ষমতা ২৩ দশমিক ১৬ লাখ মেট্রিক টন থেকে বাড়িয়ে ২৪ দশমিক ৫০ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।


বিজ্ঞাপন


7

খাদ্য খাতে আগামী অর্থবছরের জন্যও বেশ কিছু লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। খাদ্যশস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ৪১ দশমিক ২৯ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ৫৫ লাখ পরিবারকে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় কম দামে চাল সরবরাহ অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে ওএমএস কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং অনলাইন মনিটরিং ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার কথা বলা হয়েছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি ২০৩০ সালের মধ্যে মৎস্য রফতানি আয় ১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। জেলে পরিবারগুলোর জন্য সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সম্প্রসারণ এবং মৎস্য বিমা চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, কৃষিকে জাতীয় উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে চলতি বছরের পহেলা বৈশাখ ‘কৃষক কার্ড’ চালু করা হয়েছে। আগামী অর্থবছরে ১০০ উপজেলায় ৪২ লাখ ৫০ হাজার কৃষককে এই কার্ডের আওতায় আনা হবে এবং পর্যায়ক্রমে দেশের সব কৃষক এতে যুক্ত হবেন। এই কার্ডের মাধ্যমে ভূমিহীন ও প্রান্তিক কৃষকরা বছরে একবার ২ হাজার ৫০০ টাকা নগদ সহায়তা পাবেন। এ জন্য প্রাথমিকভাবে এক হাজার ৬২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ কর্মসূচি ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ খাতে চলতি অর্থবছরে ১ হাজার ৫৬৭ কোটি ৯৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কৃষি পুনর্বাসন ও প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে বীজ, সার ও অন্যান্য উপকরণ সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। সার ভর্তুকি, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ এবং কৃষিপণ্যের বহুমুখীকরণ কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, পচনশীল কৃষিপণ্যের সংরক্ষণ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে কোল্ড স্টোরেজ ও কোল্ড চেইন ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। বরেন্দ্র অঞ্চলে আম চাষীদের জন্য আলাদা হিমাগার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষি উপকরণ বিতরণ, পুনর্বাসন ও প্রণোদনা কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য কৃষক ডাটাবেজ তৈরির কাজ চলছে। একই সঙ্গে স্বেচ্ছাশ্রমভিত্তিক খাল খনন কর্মসূচি পুনরায় সক্রিয় করা হয়েছে, যেখানে কৃষি মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

খাদ্য নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি জানান, দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর খাদ্য চাহিদা মেটাতে সরকারি খাদ্যশস্য ধারণক্ষমতা ২৩ দশমিক ১৬ লাখ মেট্রিক টন থেকে বাড়িয়ে ২৪ দশমিক ৫০ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করা হবে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে খাদ্যশস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ৪১ দশমিক ২৯ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৫৫ লাখ পরিবারকে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল সরবরাহ অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি ১ হাজারের বেশি বিক্রয়কেন্দ্র এবং ৪১৯ উপজেলায় ওএমএস কার্যক্রমের মাধ্যমে ভর্তুকিমূল্যে চাল ও আটা বিক্রি চলবে এবং এর অনলাইন মনিটরিং আরও জোরদার করা হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৫৬ লাখ ৩৫ হাজার মেট্রিক টন মৎস্য উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে মৎস্য রফতানি আয় ১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ‘জাল যার জলা তার’ নীতির ভিত্তিতে জলমহাল উন্মুক্ত রাখা, ১৫ লাখ জেলে পরিবারকে ভিজিএফ সুবিধা প্রদান এবং মৎস্য বিমা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি ও মৎস্য খাতে নিরাপদ খাদ্য, সহজ ঋণ, ভর্তুকি এবং বাজার সুবিধা নিশ্চিত করতে নানা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তবে সামগ্রিক বাজেট কাঠামোর দিকে তাকালে দেখা যায়, কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি জাতীয় বাজেট বৃদ্ধির তুলনায় অনেক কম। যেখানে জাতীয় বাজেট প্রায় ১৮ দশমিক ৭৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, সেখানে কৃষি, খাদ্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের সম্মিলিত বরাদ্দ বৃদ্ধি পেয়েছে মাত্র ১ দশমিক ১৯ শতাংশ। ফলে নামমাত্র বৃদ্ধি থাকলেও বাস্তবে কৃষি খাতের আপেক্ষিক গুরুত্ব কমে গেছে।

তথ্য বলছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে কৃষি ভর্তুকির জন্য বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ১০০ কোটি টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় কম। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি ও সারের মূল্য বৃদ্ধি এবং সরবরাহ অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে ভর্তুকি কমানোকে ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশ্লেষকদের মতে, কৃষি খাতে ভর্তুকি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সার, বীজ, সেচ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি সরাসরি উৎপাদন ব্যয় বাড়িয়ে দেয়। এই ভর্তুকি কৃষকের জন্য একটি সুরক্ষা কাঠামো হিসেবে কাজ করে। কিন্তু নতুন বাজেটে ভর্তুকি কমার প্রবণতা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। তাদের মতে, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধি ছাড়া বিকল্প নেই। কিন্তু কৃষিতে বিনিয়োগ কমে গেলে উৎপাদনও বাধাগ্রস্ত হতে পারে। ইতোমধ্যে কৃষি উৎপাদন প্রবৃদ্ধির হার নিম্নমুখী হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

5

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব। অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, খরা, অতিবৃষ্টি, বন্যা এবং তাপপ্রবাহ কৃষি ব্যবস্থাকে ক্রমেই অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকা, হাওর অঞ্চল এবং উত্তরাঞ্চলে ক্ষতির মাত্রা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে কৃষিতে প্রযুক্তি, গবেষণা, সেচ ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং জলবায়ু সহনশীল চাষাবাদে বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

কৃষি অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এই বাজেট কাঠামো কৃষির জন্য সংকোচনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। মূল্যস্ফীতি প্রায় ৯ শতাংশ হওয়ায় বাস্তবে কৃষি খাতে বরাদ্দের প্রকৃত মূল্য কমে গেছে। অর্থাৎ নামমাত্র বরাদ্দ বাড়লেও ক্রয়ক্ষমতার দিক থেকে কৃষি খাত আগের তুলনায় দুর্বল অবস্থানে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় বাজেটে কৃষির অংশীদারিত্ব দীর্ঘদিন ধরে ধারাবাহিকভাবে কমছে। ২০১১-১২ অর্থবছরে যেখানে অংশ ছিল ১০ দশমিক ৬৫ শতাংশ, তা গত অর্থবছরে নেমে আসে ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশে এবং নতুন বাজেটে আরও কমে ৪ দশমিক ৯৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এই ধারাবাহিক পতন কৃষিকে জাতীয় উন্নয়ন কাঠামোর প্রান্তে ঠেলে দিচ্ছে।

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ভর্তুকি কমলে কৃষকের উৎপাদন খরচ বাড়বে, লাভ কমে যাবে এবং উৎপাদনে আগ্রহ হ্রাস পাবে। এর সরাসরি প্রভাব পড়বে খাদ্য উৎপাদনে এবং দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য ঘাটতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

তবে বাজেটে কিছু ইতিবাচক দিকও রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকের নগদ সহায়তা, কৃষি ঋণ মওকুফ, পুনর্বাসন কর্মসূচি, কোল্ড স্টোরেজ সম্প্রসারণ এবং কৃষি যান্ত্রিকীকরণ উদ্যোগ তাৎক্ষণিকভাবে কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে।

এই অর্থনীতিবিদ বলেন, এসব উদ্যোগের সফলতা নির্ভর করবে সঠিক বাস্তবায়ন এবং পর্যাপ্ত অর্থায়নের ওপর। কেবল কর্মসূচি ঘোষণা যথেষ্ট নয়, কৃষি খাতে দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, গবেষণা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো এবং উৎপাদন খরচ কমানোর কার্যকর নীতি গ্রহণ জরুরি।

এএইচ/এএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger

টাইমলাইন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর