দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাসকারী ১৫ লাখ জেলেকে ভিজিএফ কার্ডের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সেই সঙ্গে তাদের নিরাপত্তার কথা ভেবে এই প্রথমবারেরর মতো মৎস্য বিমা স্কিম চালু করা হবে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাজেট প্রস্তাবে এ কথা জানান।
বিজ্ঞাপন
এবার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে কৃষি, খাদ্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জন্য মোট ৪৩ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করার প্রস্তাব করা হয়েছে। যা জিডিপির ০.৬৩ শতাংশ, যা ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে ছিল ৩৭ হাজার ১২৬ কোটি টাকা (জিডিপির ০.৬১ শতাংশ)।
মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে আমরা জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে নির্ধারণ করেছি। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে। ৫৬ লক্ষ ৩৫ হাজার মেট্রিক টন মৎস্য উৎপাদন। সুনীল অর্থনীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে ২০৩০ সালের মধ্যে মৎস্য রপ্তানি আয় ১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আমরা প্রকৃত মৎস্যজীবী ও কৃষকদের সুরক্ষায় 'জাল যার জলা তার' নীতির ভিত্তিতে জলমহাল, উপকূলীয় খাল ও হাওরগুলো স্থানীয় মৎস্যজীবী ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য উন্মুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।
তিনি আরো বলেন, ,১৫ লাখ জেলে পরিবারকে ভিজিএফ সুবিধার আওতায় আনার কার্যক্রম গ্রহণ, মৎস্য চাষিদের ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশে প্রথমবারের মতো মৎস্য বিমা স্কিম চালু এবং বাণিজ্যিক মৎস্য খামার যান্ত্রিকীকরণের পরিকল্পনা গ্রহণ এবং হাঁস-মুরগি ও মৎস্য খামারের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত 'ফিড' উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছি।
তিনি জানান, গবাদিপশু পালনকারীদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে ভর্তুকি, সহজ ঋণ, বিমা এবং বাজারজাতকরণ সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে এ খাতের খামারিদের ইতোমধ্যে 'কৃষক কার্ড'-এর আওতায় আনা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
এমআইকে/ক.ম






















































































