বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

আত্মদানে বলীয়ান চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরাম

ইব্রাহিম খলিল, চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: ০৫ আগস্ট ২০২৬, ০২:৩৫ পিএম

শেয়ার করুন:

আত্মদানে বলীয়ান চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরাম

ছিলেন ছাত্র, হলেন শহীদ। মহান এই আত্মদানে বলীয়ান চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ওয়াসিম আকরাম। মরেও তিনি প্রমাণ করলেন শোষণবিরোধী আত্মদান কখনো বৃথা যায় না। বরং অনেক সম্মানের। বীরোচিত এই ছাত্রের আত্ম-বলীদান মুহূর্তে মুহূর্তে স্মরণ করছেন বৃহত্তর চট্টগ্রামের মানুষ।

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বেলা ৩টার দিকে চট্টগ্রামের মুরাদপুর এলাকায় কোটাবিরোধী আন্দোলনের সময় পুলিশ ও ছাত্রলীগ-যুবলীগের ছোড়া গুলিতে নিহত হন মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরাম। বৈষম্যবিরোধী জুলাই অভ্যুত্থানে চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ তিনিই। যার প্রতিচ্ছবি চট্টগ্রাম মহানগরীর পরতে পরতে সাইনবোর্ড-ব্যানারে ঝুলছে সেই থেকে।

সেই শোকাবহ ঘটনার দুই বছর পূর্ণ হলো। কিন্তু চট্টগ্রামবাসী ভুলেনি শহীদ ওয়াসিম আকরামকে। দলীয় নেতাকর্মী ও চট্টগ্রামবাসীর পাশাপাশি স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের ভোটে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর গত ১২ জুন সশরীরে কক্সবাজার জেলার পেকুয়া সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ মেহেরনামা বাজার এলাকার গিয়ে শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জেয়ারত করেন।

স্থানীয়দের তথ্যমতে, কক্সবাজার জেলার পেকুয়া সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ মেহেরনামা বাজার এলাকার প্রবাসী শফিউল আলমের মেঝ ছেলে ওয়াসিম আকরাম। সর্বশেষ ছাত্র ছিলেন চট্টগ্রাম কলেজের। পড়তেন সমাজবিজ্ঞান অনুষদে স্নাতক তৃতীয় বর্ষে। সেই সুবাধে চকবাজার এলাকার একটি মেসে থাকতেন ওয়াসিম। জড়িত ছিলেন বিএনপির অঙ্গসংগঠন ছাত্রদলের রাজনীতিতে।

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার যখন বিরোধী দল দমন-পীড়নে খড়গহস্ত, ঠিক এই অসময়ে চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন ওয়াসিম আকরাম। আর ক্ষণে ক্ষণে প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগ-যুবলীগের মারধর, হামলা-মামলা ও গুলির মুখে পড়েছেন উদ্যমী এই ছাত্রনেতা।

এর মধ্যে ২০২৪ সালের জুলাইয়ের শুরু থেকে দেশে চাঙা হয়ে উঠে কোটা সংস্কারের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন। ঢাকার ছাত্র জনতার সাথে চট্টগ্রামেও এই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় হয়ে উঠেন ছাত্ররা। তাদের সর্বাগ্রে থেকে নেতৃত্ব দেন শহীদ ওয়াসিম আকরাম। 
মধ্য জুলাইয়ে আন্দোলন ধীরে ধীরে সহিংস হয়ে ওঠে। তখন পুলিশ-ছাত্রলীগ-যুবলীগ অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মাঠে নামে ছাত্র আন্দোলন প্রতিহত করতে। এতে দমে যাননি স্বৈরাচারবিরোধী অকুতোভয় বীর সেনানী ওয়াসিম আকরাম। বরং অন্য সহযোদ্ধাদের মতোই আরও বেশি সংগ্রামী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে উঠেন।

ওয়াসিমের সহপাঠী ইমরান হোসেন ও তৌহিদুল ইসলামের মতে, ১৬ জুলাই দুপুর থেকে নগরীর বিভিন্ন মোড়ে অবস্থান নেন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা। দুই নম্বর গেট এলাকায় একটি বাস ভাঙচুর করেন তারা। বিকেল ৩টা থেকে নগরীর মুরাদপুর, ২নং গেট ও ষোলশহরের আশপাশের এলাকায় কোটা আন্দোলনকারীদের সাথে ছাত্রলীগ-যুবলীগ ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

Wasim2

সংঘর্ষের শুরুতে লাঠিপেটা করা হলেও পরে গুলিবর্ষণ করে পুলিশ। এ সময় পুলিশের সাথে সাদা পোশাকে হেলমেট পরে কয়েকজন অস্ত্রধারীকে গুলি ছুড়তে দেখা যায়। বেশ কিছু ককটেলও বিস্ফোরিত হয়। আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে এদিক-সেদিক ছুটোছুটি শুরু করে। পরে তারা ইট পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে।

এভাবে অনেক্ষণ চলতে থাকে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া। পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। শিক্ষার্থীদের অনেকে অলিগলিতে ঢুকে পড়লে সেখানেও খুঁজে বের করে হামলা করা হয়। সেদিন গুলিবিদ্ধ হন শহীদ ওয়াসিম আকরাম। বাঁচানোর আশায় সহপাঠীরা যে তাকে হাসপাতালে নেবেন, সে সুযোগও সেদিন অবরুদ্ধ করে রাখেন পুলিশ ও অস্ত্রধারী ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেতাকর্মীরা। রাত প্রায় ৮টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ নিয়ে ওয়াসিম আকরামকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিসৎকরা।

সেদিনের কথা বলতে গিয়ে চোখে একরাশ ক্ষোভ আর হতাশার কান্না নিয়ে সহপাঠী ইমরান হোসেন ও তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মৃত্যুর আগের দিন ওয়াসিম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্ট দেয়। পোস্টটিতে সে লিখেছিল, সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে আছে আমার প্রাণের সংগঠন। আমি এই পরিচয়েই শহীদ হবো। আর এর ঠিক ১৬ ঘণ্টা পরই শহীদ হলেন ওয়াসিম আকরাম। চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ এটি।’

১৭ জুলাই বেলা ১১টার দিকে কক্সবাজার জেলার পেকুয়া সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ মেহেরনামা বাজার এলাকার ওয়াসিমের জানাজা হয়। এরপরই পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

আক্ষেপ কাটেনি প্রবাসী বাবা ও গৃহীনি মায়ের

শহীদ ওয়াসিম আকরামের বাবা শফিউল আলম মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার প্রবাসী। সেখানে তিনি একটি কোম্পানিতে চাকরি করেন। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছেলের আত্ম-বলীদানের কথা শুনলেও দেশের অরাজক পরিস্থিতির কারণে তিনি দেশে ফিরতে পারেনি। ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর দেশে ফিরেন তিনি।

সেই থেকে ছেলের আত্ম-বলীদান নিয়ে আক্ষেপ বাড়ছে প্রবাসী শফিউল আলমের। অন্যদিকে দেশে থেকেও মনকে কোনোভাবে সান্ত্বনা দিতে পারছেন না মা জ্যোস্না বেগম। কারণ তাদের অনেক আশা ও স্বপ্ন ছিল শহীদ ওয়াসিম আকরামকে নিয়ে।

মোবাইল ফোনে এসব কথা বলেন ওয়াসিম আকরামের চাচা মাওলানা জয়নাল আবেদীন। তিনি বলেন, দেশে ফেরার পর থেকে বাবা শফিউল আলম প্রতিদিন ছেলের কবরের পাশে গিয়ে বসে থাকেন। দিনের বেশির ভাগ সময় সেখানেই কাটান।

মা জ্যোস্না বেগম এখনো বিশ্বাস করতে পারেন না যে, তাঁর সন্তান নেই। প্রতিটি মুহূর্তে স্মৃতি হাতড়ে বেড়ান, চোখের সামনে ভাসে ওয়াসিমের হাসি, তার কণ্ঠস্বর, তার চলাফেরা। আকস্মিক সন্তান হারানোর আঘাত সইতে না পেরে শোকস্তব্ধ ওয়াসিমের মা হারিয়েছেন শ্রবণশক্তি, এক বছর ধরে তিনি বিছানায় শয্যাশায়ী।

চাচা মাওলানা জয়নাল জানান, পিতামাতার ৫ সন্তানের মাঝে ওয়াসিম ছিলেন দ্বিতীয়। সবাই গ্রামের বাড়িতে থাকেন। বড় ভাই মহিউদ্দিন চাকরি করেন। ছোট আরও এক ভাই ও দুই বোন পড়াশোনা করেন। তাদের সবার স্বপ্ন ছিল ওয়াসিম আকরামও পড়ালেখা শেষ করে সরকারি বড় কোনো পদে চাকরি করবেন। পরিবারের হাল ধরবেন।
 
আবেগাপ্লুত চাচা জয়নাল বলেন, ওয়াসিম কোটা সংস্কার আন্দোলনে গিয়ে এভাবে হারিয়ে যাবে, কেউ কল্পনাও করেনি। তাকে হারিয়ে যেন আকাশ ভেঙে পড়েছে পরিবারের ওপর। তাকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল আমাদের। সে স্বপ্ন ভেঙে খান খান হয়ে যায় ১৬ জুলাই বিকেলের একটি বুলেটে।ওয়াসিমের মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতে সরকারের কাছে দাবি জানান চাচা জয়নাল।

ওয়াসিমের বাবা শফিউল আলম ঢাকা মেইলকে বলেন, বাবার কাঁধে সন্তানের লাশ যে কত ভারী, সেটা যে সন্তান হারিয়েছে শুধু সে-ই বুঝবে। মা হারিয়েছি, দুই মাস পর ছেলেকেও হারিয়েছি। আমার স্ত্রী অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী। বিছানা ছেড়ে উঠতে পারে না। ভাই হারানোর যন্ত্রণা আমার অন্য সন্তানদের মধ্যে। কেউ আমাকে ছাড়তে চায় না। বাকি জীবনটা তাদের বুকে আগলে রেখেই কাটিয়ে দিতে চাই।

সহপাঠী ও এলাকাবাসীর ভাষ্য

ওয়াসিম আকরাম কেবল রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ছিলেন না, বরং ছিলেন বিনয়ী ও সবার প্রিয়। গ্রামের মানুষরা জানান, তিনি পড়াশোনার ফাঁকে মাঝেমধ্যে গ্রামে যেতেন এবং সবার সঙ্গে আন্তরিকভাবে মিশতেন। তার মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। ওয়াসিমের পরিবার এখনো শোকসাগরে ভাসছে ওয়াসিমের পরিবার।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ওয়াসিম কোটা সংস্কার আন্দোলনে গিয়ে এভাবে হারিয়ে যাবে এ কথা কেউ কল্পনাও করেনি। তার মৃত্যুতে পরিবারে যেন আকাশ ভেঙে পড়েছে। তবে সান্ত্বনার বিষয়, সরকার শহীদ ওয়াসিম আকরামের পরিবারের পাশে আছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ১৩ জুন কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ মেহেরনামা বাজার এলাকার এসে শহীদ ওয়াাসিম আকরামের কবর জেয়ারত করেছেন। পরে প্রধানমন্ত্রী ওয়াসিম আকরামের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে তাদের খোঁজ-খবর নেন। এসময় শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাতে ২০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র তুলে দেন সরকারপ্রধান। এতে পেকুয়া উপজেলাবাসী গর্বিত। এতে মনে হচ্ছে শহীদ ওয়াসিম আকরামের আত্মদান বৃথা যায়নি।

চট্টগ্রামে সেদিন আরও আত্ম-বলীদান ছিল যাদের
 
জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ওয়াসিম আকরাম ছাড়াও চট্টগ্রামের রণাঙ্গনে সেদিন জীবন বিলিয়ে দেন ছাত্র শিবির নেতা ফয়সাল হোসেন শান্ত ও দোকান কর্মচারী ফারুক। এই তিন প্রাণের বিনিময়ে সেদিন থেকে চট্টগ্রামে আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ পায় বলে জানান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চট্টগ্রামের তৎকালীন সমন্বয়কদের অন্যতম মশিউর রহমান। তিনি বলেন, ১৫ জুলাই প্রথম প্রতিরোধের পর ছাত্রলীগ নেতা নুরুল আজিম রনিসহ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ফেসবুকে মেরে ফেলব, কেটে ফেলব-এ ধরনের পোস্ট দিতে শুরু করে। ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীদের অস্ত্রের ছবি তুলে আমাদের ইনবক্সে পাঠাতে থাকে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল, আমরা যাতে ভয় পেয়ে ষোলশহরে আর না যাই। কিন্তু আমরা আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, ছাত্রলীগ হামলা করতে এলে জোরালোভাবে প্রতিরোধ করা হবে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক রাসেল আহমেদ বলেন, শিক্ষার্থীরা সেদিন শান্তিপুর্ণ ভাবেই মুরাদপুর মোড় ও রেলগেট এলাকায় অবস্থান করছিল। বিনা উস্কানিতেই ছাত্রলীগ আমাদের উপর অস্ত্রসহ হামলা চালায়। জবাবে শিক্ষার্থীরাও প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
প্রথম হামলাতে শিক্ষার্থীরা কিছুটা বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়েন। কিন্তু খুব দ্রুতই তারা গুছিয়ে উঠে পাল্টা জবাব দিতে শুরু করেন। কিন্তু সেই সময়গুলি গুলি ছুড়তে ছুড়তে ঘটনা স্থালে হাজির হয় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ক্যাডাররা। এ সময় তাদের গুলিতে নিহত হন শিক্ষার্থী ওয়াসিম, শান্ত ও দোকান কর্মচারী ফারুক। রক্তে লেখা হয় নতুন ইতিহাস।

সমন্বয়ক রাসেল আহমেদ বলেন, ওয়াসিমের মতো সেদিন শহীদ হওয়ার আগে শিবির নেতা ফয়সাল আহমেদ শান্ত তার ফেসবুক প্রোফাইলে রিখেছিল- যে হৃদয় শাহাদাতের উচ্চাকাঙ্ক্ষা লালন করে, সে হৃদয় কখনো হতাশ হয় না। শান্ত নেই, কিন্তু সেই লেখা এখনো রয়ে গেছে।

শহীদ শান্তর মা কোহিনূর বেগম কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, আমার ছেলে আমার বুকের ধন। আমার ছেলের কষ্ট হবে, এজন্য আমি শত ব্যস্ততার মধ্যেও তাকে কোনো কাজে হাত দিতে দিতাম না। আমার ছেলেটাকে ছেড়ে আমাকে দুটা বছর কাটাতে হলো, সারাজীবন কাটাতে হবে, এ দুঃখ আমি কীভাবে সইব!

শান্তকে নিয়ে বৈষম্যমূলক আচরণের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে যিনি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র হয়েছেন, তিনি সবসময় ওয়াসিমের কথা বলেন শুধু, বাকি দুজনের কথা বলেনই না। এখন দেখছি সরকারের সবাই একই পথে হাঁটছেন। আমি মনে করি, এটা একটা বৈষম্য!

সেদিন আওয়ামী লীগ ক্যাডারদের হামলায় শহীদ হন দোকান কর্মচারী ফারুক (৩২)। মুরাদপুরে কর্মস্থলে ফেরার পথে সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। তার স্ত্রী সীমা আক্তার স্বামীর মৃত্যুতে আজও শোকে স্তব্ধ। তিনি বলেন, আমার স্বামী তো নেই। আমি আমার স্বামীর হত্যা কারীদের ফাঁসি চাই।

আইকে/জেবি

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger

টাইমলাইন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর