বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

শহীদদের স্মরণে ঢাবিতে ইসলামী ছাত্রী সংস্থার ‘জুলাইয়ের নাজরানা’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:০২ এএম

শেয়ার করুন:

শহীদদের স্মরণে ঢাবিতে ইসলামী ছাত্রী সংস্থার ‘জুলাইয়ের নাজরানা’

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শহীদদের স্মরণ, আহতদের আত্মত্যাগের স্বীকৃতি এবং নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাইয়ের চেতনা তুলে ধরতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই দিনব্যাপী ‘জুলাইয়ের নাজরানা’ কর্মসূচি শুরু করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থা।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, দেয়ালিকা উন্মোচন, প্রদর্শনী এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

উদ্বোধনী বক্তব্যের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা করেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভানেত্রী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য ও সিনেট সদস্য সাবিকুন্নাহার তামান্না।

অনুষ্ঠানে জুলাইয়ের প্রেক্ষাপট ও গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাবলি নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পরে ‘রঙ তুলিতে জুলাই’ শীর্ষক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীরা শিল্পের মাধ্যমে জুলাইয়ের স্মৃতি, সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। পাশাপাশি জুলাই স্মারক হিসেবে একটি দেয়ালিকা উন্মোচন করা হয়। সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয় ‘জুলাই প্রদর্শনী’, যেখানে গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন আলোকচিত্র, তথ্যচিত্র, স্মারক ও ঐতিহাসিক উপকরণ স্থান পায়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি জেনারেল নূরুন্নিসা সিদ্দিকা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দেশের ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়। শহীদদের আত্মত্যাগকে ধারণ করে ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে।

পরে স্মৃতিচারণ পর্বে অংশগ্রহণকারীরা গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন এবং স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে তাদের সম্মিলিত প্রতিরোধের নানা স্মৃতিও উঠে আসে।

বিকেল ৩টা থেকে শুরু হওয়া সাংস্কৃতিক পর্বে জুলাইয়ের গান, দেশাত্মবোধক গান, নাটিকা, পুঁথি পাঠ, গীতিআলেখ্য ও আবৃত্তি পরিবেশন করা হয়। এতে অংশ নেয় সসাস, সন্দীপন শিল্পীগোষ্ঠী, রেদোয়ান শিল্পীগোষ্ঠী এবং ফুলের মেলা শিল্পীগোষ্ঠী।

দিনব্যাপী এ আয়োজনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল। আয়োজকরা জানান, কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠান আগামী ৫ আগস্ট একই স্থানে অনুষ্ঠিত হবে।

এমআর/এমআর

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger

টাইমলাইন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর