বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৫, ঢাকা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে ইদের কেনাকাটা

মো. ফারুক হোসেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
প্রকাশিত: ২৭ মার্চ ২০২৫, ০৩:২৩ পিএম

শেয়ার করুন:

loading/img
চাঁপাইনবাবগঞ্জে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে ইদের কেনাকাটা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিপণী বিতান ও ফুটপাতে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে ইদের কেনাকাটা। জেলা শহরের নিউমার্কেট, শহীদ সাটু হল মার্কেট, ক্লাব সুপার মার্কেট, পুরাতন বাজার, ডিসি মার্কেটসহ জেলার সকল বিপণী বিতানগুলোয় চলছে ঈদের কেনাকাটা।

মেয়েদের শাড়ি, টু-পিস, থ্রি-পিস, বোরখা, ছোটদের পোশাক, জুতা-স্যান্ডেল, প্রসাধনীর দোকানগুলোতে সকাল থেকে রাত অবধি চলছে বেচাকেনা। বিক্রেতারা বলছেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতেও বেচাবিক্রি ভালো। ক্রেতারা বলছেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর পোশাকের দাম অনেকটাই বেশি। তবে, পরিবারের ঈদ আনন্দের কথা ভেবে কিনতেই হচ্ছে।


বিজ্ঞাপন


রমজানের প্রথম থেকেই বাজারগুলোতে মোটামুটি কেনাকাটা আগেভাগেই শুরু হয়েছিল। ক্রেতাদের আনাগোনা বাড়ায় বেচাকেনা শুরু হয়েছে এবং শেষ মুহূর্তে কেনাকাটায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। ক্রেতাদের সমাগম বাড়তে থাকায় দোকানীরা বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন। ক্রেতাদের চাহিদা জিন্স জাতীয় প্যান্ট, গ্যাবার্ডিন, টি-শার্ট, শর্টস, পাঞ্জাবী ও থ্রি-পিসের।

eid-3

ক্রেতারা বলছেন, তুলনামূলকভাবে এবারও কিছুটা দাম বেড়েছে, তবে ঈদে নতুন পোশাক কিনতে হচ্ছে। দোকানগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে লেহেঙ্গা, জয়পুরী/কলমকাড়ি, বুটিকস, চোষা, জিপসি, দেশীয় সূতি ও বিভিন্ন থ্রি-পিস, নাইরাকাট পোশাক। মেয়েদের বিভিন্ন ডিজাইনের ডিভাইডার, জিপসি ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা, লেহেঙ্গা ৭ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত দামে পাওয়া যাচ্ছে। অন্যান্য থ্রি-পিস ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বহুল পরিচিত পোশাক ও কাপড় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলো যেমন: মোশারফ থ্রি-পিস হাউস, মোশারফ কিডস গ্যালারি, মোশারফ জেন্টস গ্যালারি, সুতরাং গার্মেন্টস, উৎসব, রুপমস বুটিকস অ্যান্ড লেডিস কর্তার, জুনায়েদ ফ্যাশন, মুশকান ফ্যাশন, ‘ইসলাম এন্ড ব্রাদার্স’, সুমন ক্লথ স্টোর, ফ্যাশন ওয়ার্ল্ড, বাঁধন ফ্যাশন, ফ্যাশন গার্মেন্টস, ‘থ্রি-পিস কালেকশন’, বিসমিল্লাহ গার্মেন্টস, বিসমিল্লাহ টি-কার্ট, এক্সপোর্ট গ্যালারী, ‘মা বস্ত্র এন্ড গার্মেন্টস’, আমেনা বস্ত্রালয়, রাজশাহী স্টোর, মিলন গার্মেন্টস, ক্লাসিক ফ্যাশন, আমেনা ফ্যাশনসহ অন্যান্য শো-রুমে নিত্যনতুন শাড়ী ও ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী বাহারী পোশাকের সমাহার ঘটিয়েছে।


বিজ্ঞাপন


দোকানীরা বলছেন, দোকান খোলার পর থেকে বেলা ৪টা পর্যন্ত ক্রেতারা আসছেন। এরপর ক্রেতাদের আনাগোনা কিছুটা কমে গেলেও সন্ধ্যার পর আবার বেচাকেনা শুরু হচ্ছে। প্রায় সব পণ্যের দাম তুলনামূলক কিছুটা বেড়েছে, তবে ক্রেতারা সাধ্যের মধ্যে কিনছেন। বিক্রেতারা বলছেন, সময় যতই গড়াবে, ভিড় ততই বাড়বে।

আরও পড়ুন—

ss

আশা করা যাচ্ছে চাঁদরাত পর্যন্ত পুরোদমে কেনাকাটায় আরও জমে উঠবে। অন্যদিকে, আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে মাঠে কাজ করছে পুলিশ প্রশাসন। পুলিশ সুপার রেজাউল করিম জানিয়েছেন, সকল ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এবং বাড়ানো হয়েছে টহল কার্যক্রম। থানা পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৎপরতা বাড়িয়েছে।

প্রতিনিধি/একেবি

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

টাইমলাইন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর