রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনালে যাত্রীর চাপ নেই। অনেকটাই ফাঁকা টার্মিনাল। কাউন্টারগুলোতে বসে গল্প-গুজব করে সময় কাটাচ্ছেন পরিবহন শ্রমিকরা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, যারা ঈদে বাড়ি যাওয়ার তাদের বড় অংশ গতকালই চলে গেছেন। আর যারা আটকে ছিল আজ তারা যাচ্ছেন৷ তবে সেই সংখ্যা কম।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই টার্মিনালে যাত্রী ও পরিবহনের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
আহাদ পরিবহনের কাউন্টারম্যান সালাম বলছিলেন, আজ সকাল ১০টার মধ্যে যেসব গাড়ি ছাড়ার সেগুলোর অর্ধেক চলে গেছে। বাকিগুলোও চলে যাবে।
দর্শনা ও চুয়াডাঙ্গা রুটে চলাচলকারী বাস ডিডি পরিবহনের কাউন্টারম্যান আরিফ বলেন, আজ সকাল থেকে বসে আছি। কোনো বাড়তি টিকেট বিক্রি করিনি। কারণ যাত্রীর চাপ নেই। অন্য বছরগুলোতে ঈদের দুই বা একদিন আগে প্রচুর চাপ থাকে, কিন্তু আজ তেমন নেই। এখন যা যাত্রী দেখছেন সকালেও তাই ছিল। মূলত যাত্রীদের একটা বিরাট অংশ রাতেই চলে গেছে।

বিজ্ঞাপন
আসাদ পরিবহনের সাফুল বলেন, আমরা যে কয়টি গাড়ি ছাড়ি সেগুলোর সব টিকেট বুকিং। আর যাত্রীতো নাই। দেখেন না কাউন্টারগুলা ফাঁকা।
গাবতলী আন্তঃ জেলা বাস টার্মিনালের ভেতরে থাকা কাউন্টারগুলোতে ভিড় নেই। এর মাঝে কিছু লোকজন টিকিট খুঁজছিলেন। কিন্তু টিকিট নেই অধিকাংশ কাউন্টারে। কাউন্টারগুলোতে নেই হাঁকডাকও।
উত্তরের জেলা লালমনিরহাটে যাবেন ফিরোজ আহমেদ। গতকাল রাতে যেতে পারেননি বলে আজ এসেছেন। কিন্তু বাস পেলেও পছন্দের সিট পাচ্ছেন না। ফলে দুপুর পর্যন্ত তিনি কোনো বাসেই ওঠেননি।
তবে গত কয়েক দিনের মতো আজও রাস্তা থেকে চলন্ত অবস্থায় যাত্রী তুলছে কিছু পরিবহন। সেগুলোর টিকিটে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগও মিলেছে।
এমআইকে/জেবি



































