মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

ভোলার লঞ্চঘাটে ঘরমুখো মানুষের ঢল, সড়কে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ

জেলা প্রতিনিধি, ভোলা
প্রকাশিত: ১৯ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৩ পিএম

শেয়ার করুন:

ভোলার লঞ্চঘাটে ঘরমুখো মানুষের ঢল, সড়কে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ভোলার লঞ্চঘাট গুলোতে ঘরমুখো মানুষের ঢল।

ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। ভোলার প্রতিটি লঞ্চঘাটে ঘরমুখো মানুষ ঢল নেমেছে। নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা এসব মানুষরা পথে পথে ভোগান্তির মধ্যে পড়ছেন। তাদের অভিযোগ, সড়ক পথে দ্বিগুণ ভাড়া আদায় করছে অটোরিকশা ও সিএনজি চালকরা।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল থেকেই রাজধানী ঢাকার সদরঘাট থেকে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই প্রতিটি লঞ্চ ভোলার লঞ্চঘাটগুলোতে ভিড়ছে। যাত্রীদের নামিয়ে পুনরায় দ্রুত গতিতে ঢাকা ফিরছে লঞ্চগুলো। একই চিত্র ভোলা–লক্ষ্মীপুর রুটে চলাচল করা লঞ্চগুলোতেও।

ঢাকা থেকে আসা যাত্রীরা বলছেন, প্রতিটি লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী নেওয়া হচ্ছে। লঞ্চগুলোতে তিল ঠাঁই নেই। এতে লঞ্চের ভেতর চলাচলে তাদের ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হচ্ছে। এছাড়াও লঞ্চ থেকে নামার পর সড়ক পথে দ্বিগুণ ভাড়া আদায় করছেন ছোট ছোট যানবাহনের চালকরা। একরকম যাত্রীদের জিম্মি করেছেন বলে অভিযোগ তাদের।

ঢাকা থেকে আসা মো. রুবেল মিয়া জানান, লঞ্চ থেকে নামার পর ভোলা সদরে যাব। কিন্তু অটোরিকশা চালকরা ৩০ টাকার ভাড়া ১০০ টাকা চাচ্ছেন। এতে কিছুটা বিভ্রান্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আছি। ঈদকে ঘিরে অটোরিকশা চালকদের এমন দৌরাত্ম্য যেন দেখার কেউ নেই।

1c276157-5d4e-49b5-ab7f-143a6eeb3d52

রিয়াজ নামের অন্য এক যাত্রী বলেন, সারা পথ কষ্ট করে ভোলায় এসে পৌঁছানোর পর অটোরিকশা ও সিএনজি চালকদের কাছে জিম্মি হতে হচ্ছে। তারা ১৫০ টাকার ৫০০ টাকা চাচ্ছে, যা রীতিমতো খামখেয়ালি। তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে লঞ্চঘাটের সামনের সড়কে যত্রতত্র গাড়ি রাখার ফলে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে বাড়ি ফেরা মানুষের ভোগান্তি আরও বেড়েছে। তারা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পায়ে হেরে মূল সড়কে আসতে হচ্ছে অথবা দীর্ঘ জ্যামে পড়তে হচ্ছে।

আরও পড়ুন

ঈদযাত্রায় নাভিশ্বাস, বাড়তি ভাড়ায় দিশেহারা যাত্রীরা

তবে সিএনজি ও অটোরিকশা চালকদের দাবি, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের সংকট এবং দাম বৃদ্ধির ফলে তারা ভাড়া বাড়িয়েছেন।

এদিকে, যাত্রী ভোগান্তি নিরসনের জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে একটি ফ্রি-বাস সার্ভিস চালু করেছেন। যেখানে যাত্রীরা ভিড় করছেন। অতিরিক্ত যাত্রী চাপে পুলিশের ফ্রি-বাস সার্ভিস তেমন ভূমিকা রাখতে পারছেন না।

ভোলার লঞ্চঘাটগুলোতে যাত্রীদের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম কাজ করছে। কোস্টগার্ড, নৌ-পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা কর্মচারীরা কাজ করছেন।

ভোলা নদী বন্দরের সহকারী পরিচালক নির্মল কুমার রায় জানান, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও বাড়তি ভাড়া নেয়া বন্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে বিআইডব্লিউটিএ।

প্রতিনিধি/এসএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger

টাইমলাইন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর