শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ঢাকা

সিত্রাং: কুয়াকাটা উপকূল প্লাবিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৪ অক্টোবর ২০২২, ০১:৫৫ পিএম

শেয়ার করুন:

সিত্রাং: কুয়াকাটা উপকূল প্লাবিত

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে প্লাবিত হয়েছে কুয়াকাটা উপকূলের সমুদ্রপাড়ের অনেক জায়গা। তবে এখনও সেখানে ঘূর্ণিঝড়ের সরাসরি প্রভাব পড়তে দেখা যায়নি। 

সোমবার (২৪ অক্টোবর) বেলা ১টা পর্যন্ত কুয়াকাটা উপকূলে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের তেমন তাণ্ডব দেখা যায়নি। 


বিজ্ঞাপন


রোববার থেকে সাগরকন্যা খ্যাত কুয়াকাটা অঞ্চলে ঝড়ো বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে। চলছে এক টানা বৃষ্টিপাত। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে বাতাসের গতি। 

কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট ঘুরে দেখা যায়, সাগরের জোয়ার স্বাভাবিকের চেয়ে অন্তত দুই ফিট বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রভাবে প্লাবিত হয়েছে কুয়াকাটা উপকূল। 

এদিকে কুয়াকাটা বেড়িবাঁধের বাইরের অংশ এরইমধ্যে প্লাবিত হয়েছে। বাঁধের বাইরের অস্থায়ী কোনো দোকানই সোমবার খোলা হয়নি। বরং দোকানের সকল মালামাল সরিয়ে নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

আবহাওয়া অধিদফতরের সবশেষ পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজারের দিকে আরও এগিয়ে এসেছে।


বিজ্ঞাপন


মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) ঘূর্ণিঝড়টি সরাসরি বরিশাল উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এর প্রভাবে দেশের চরসগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৫ থেকে ৮ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হওয়ার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রবর্তী অংশ, অমাবস্যা তিথি ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৫ থেকে ৮ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। ফলে পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে সাত (৭) নম্বর বিপৎসংকেত, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলসহ বেশিরভাগ এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার গতিতে ঝড়ো হাওয়া বইছে। আগামীকাল ভোরে এটি বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে।

কারই/এইউ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger

টাইমলাইন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর