ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন যশোরের তরুণ রাজনীতিবিদ অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। বরেণ্য রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান ও তুখোড় এই মেধাবী নেতার মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়ার খবরে যশোরজুড়ে আনন্দের বন্যা বইছে।
অনিন্দ্য ইসলাম বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির পরলোকগত সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলাম এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগমের কনিষ্ঠ পুত্র। বর্তমানে তিনি বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর মা নার্গিস বেগম যশোর সরকারি সিটি কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ। যশোর শহরের ঘোপ এলাকায় জন্ম নেওয়া অমিতের শিক্ষাজীবন অত্যন্ত বর্ণাঢ্য। ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ থেকে মেধা তালিকায় স্থানসহ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করার পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে এমবিএ সম্পন্ন করেন।
বিজ্ঞাপন
রাজনীতিতে অনিন্দ্য ইসলামের পথচলা ছিল কণ্টকাকীর্ণ। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাঁর বিরুদ্ধে দেড় শতাধিক মামলা করা হয় এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তিনি যশোর, ঢাকা ও নড়াইলে মোট সাতবার কারাবরণ করেন। ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে রাজপথে তাঁর সক্রিয় ও সর্বাত্মক অংশগ্রহণ ছিল। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি একজন সফল উদ্যোক্তা ও সমাজসেবক। তিনি যশোর শহরের স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ‘ল্যাবস্ক্যান মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেডের’ প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং দৈনিক ‘লোকসমাজ’ পত্রিকার একজন পরিচালক। করোনা মহামারির সময় ব্যক্তিগত উদ্যোগে অক্সিজেন সিলিন্ডার, ওষুধ ও খাবার নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি দেশব্যাপী প্রশংসিত হন। ছাত্রজীবনে একজন তুখোড় তার্কিক ও আবৃত্তিকার হিসেবেও তাঁর জাতীয় পর্যায়ের স্বীকৃতি রয়েছে।
যশোর-৩ (সদর) আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচিত এই তরুণ নেতার রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রাপ্তিতে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, পিতার আদর্শ অনুসরণ করে তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে দেশের উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখবেন।
প্রতিনিধি/একেবি





















































