বাংলাদেশ সবশেষ ২০০৩ সালে ঢাকায় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে জিতেছিল ভারতের বিপক্ষে। এরপর দুই দশকের বেশি সময় পার হলেও ভারতের বিপক্ষে লাল-সবুজের নেই বলার মতো সাফল্য। তবে এবার ভারতের বিপক্ষে শক্তিশালী স্কোয়াড নিয়ে নামছে বাংলাদেশ, বলেছেন কোচ হাভিয়ের ক্যাবরেরা।
এএফসি এশিয়ান কাপ ২০২৭-এর বাছাই ম্যাচে মঙ্গলবার স্বাগতিক ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। শিলংয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় গড়াবে ম্যাচ।
বিজ্ঞাপন
হামজা চৌধুরীর অভিষেক ম্যাচটি নিয়ে দেশের ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা তুঙ্গে। ম্যাচটি টেলিভিশনে সরাসরি দেখার সুযোগ করে দিচ্ছে টি-স্পোর্টস। চাইলে টি-স্পোর্টসের আপেও দেখা যাবে।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে অনেক এগিয়ে ভারত। ভারতের র্যাঙ্কিং ১২৬, বাংলাদেশ আছে ১৮৫তম স্থানে। হেড টু হেডেও ভারতের চেয়ে অনেক পিছিয়ে জামাল-তপুরা। দুদলের ৩১ সাক্ষাতে ১৬ ম্যাচে জয়ী হয়েছেন সুনীল ছেত্রীরা। বাংলাদেশের জয় কেবল ৩টিতে। ড্র হয়েছে ১২ ম্যাচ।
শেষ পাঁচ লড়াইয়ে ভারতের জয় কেবল এক ম্যাচে। বাকি চারটি ড্র হয়েছে। সেই খরা কাটাতে মরিয়া লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। হামজার মতো বিশ্বমানের তারকা থাকায় চোখে চোখ রেখে লড়াইয়ের ইচ্ছা বাংলাদেশের।
বাংলাদেশ-ভারতের ফুটবল ইতিহাসে প্রথম সাক্ষাৎ হয়েছিল ১৯৭৮ সালের ১৪ ডিসেম্বর, এশিয়ান গেমসে। ভারত ৩-০ গোলে জয়ী হয় এবং তারপর থেকে টানা আট ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে অপরাজিত থাকে। ১৯৯১ সালের ২৬ ডিসেম্বর, দক্ষিণ এশিয়ান ফেডারেশন গেমসে টিম ইন্ডিয়ার বিপক্ষে প্রথম জয়ের দেখা পায় বাংলদেশ।