শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫, ঢাকা

বরিশালের ঈদ কেনাকাটায় পিছিয়ে পুরুষরা

অনিকেত মাসুদ, বরিশাল
প্রকাশিত: ২৬ মার্চ ২০২৫, ১০:০৭ এএম

শেয়ার করুন:

loading/img

ঈদ কেনাকাটায় পিছিয়ে রয়েছে বরিশালের পুরুষরা। পবিত্র ঈদ ফিতরের বাকি আর কয়েক থাকলেও এখন আশানুরূপ বিক্রি বাড়েনি বরিশাল নগরীর পুরুষদের পোশাক কেনাকাটার মার্কেটে। ফলে ব্যবসায়ীরা চড়া সুদে ঋণ নিয়ে দোকানে তোলা পোশাক বিক্রি নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে।

সামনের কয় দিনে যদি আশানুরূপ বিক্রি না বাড়ে তাহলে চরম ক্ষতির সম্মুখিন হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে ব্যবসায়ীরা। সাধারণত অধিকাংশ পুরুষ তার পরিবার-পরিজনদের উপহার প্রদান শেষে নিজের জন্য পোশাক কিনে থাকেন। তাই সামনের কদিনে বিক্রি বৃদ্ধির আশায় বুক বেধে আছে পুরুষদের পোশাক ব্যবসায়ীরা।


বিজ্ঞাপন


thumbnail_IMG_20250326_09335902

সরেজমিন দেখা গেছে, পুরুষদের পোশাক বিক্রির জন্য সু-পরিচিত বরিশাল বহুমুখি সিটি মার্কেটে এখনও আশানুরূপ বিক্রি বাড়েনি। কারণ মাস শেষ না হওয়ায় চাকরিজীবীরা এখনও বেতন পায়নি। বোনাসও মেলেনি অনেকের কপালে। তাই মার্কেটে ক্রেতা ভিড় কম। সন্ধ্যার পর লোকসমাগম বাড়লেও যারাও আসছেন তাদের অধিকাংশই দরদাম করে ফিরে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। ফলে চড়া সুদে বিভিন্ন ব্যাংক ও এনজিও থেকে নেওয়া ঋণের টাকা পরিশোধ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন এখানকার ব্যবসায়ীরা।

স্বায়ত্বশাসিত এক প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী বলেন, বেতন ও বোনাস এখনও পাইনি। এরই মধ্যে ঘরের বাচ্চাসহ পরিবারের সদস্যদের জন্য ঈদের পোশাক কিনতে এসেছি। পোশাকের দাম বেশি হওয়ায় চাহিদা মত তা কিনতে পারিনি। বাবার জন্য জামা কিনলে প্যান্ট কিনতে পারবো না। যদি টাকা থাকে তাহলে কয়েকদিন পর নিজের জন্য ঈদের পোশাক কিনবেন বলে জানান তিনি।

thumbnail_IMG_20250326_09334871


বিজ্ঞাপন


নগরীর বাসিন্দা ইয়াসিন বলেন, গত বছরের চেয়ে এ বছর দাম বেড়েছে। তারপরও পছন্দের পোশাক কিনতে এসেছি। দামে পছন্দ হলে কিনবেন বলে জানান তিনি।

বরিশাল বহুমুখি সিটি মার্কেটে ১৩ বছর ব্যবসা করা পোশাক ব্যবসায়ী হাসান বলেন, কয়েক দিন আগে প্রতিদিন মাত্র ৫-৭ হাজার টাকা বিক্রি হতো। ২০ রোজার পর থেকে বর্তমানে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা বিক্রি হচ্ছে। এভাবে চললে ঋণে নেওয়া টাকা পরিশোধ করতে পারবে না অধিকাংশ ব্যবসায়ী। ফলে তাদের লাভ তো দূরের কথা মূলধনও উঠবে না বলে জানান তিনি।

আরেক ব্যবসায়ী খায়রুল ইসলাম বলেন, সামনে যে কদিন বাকি আছে সেই সময়েও ক্ষতি এড়ানো যাবে না। কারণ প্রতিদিন যে হারে বিক্রি হচ্ছে তাতে কোনোভাবেই লাভের মুখ দেখা সম্ভব না।

প্রতিনিধি/টিবি

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


News Hub