চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে জাবেদ নামে এক যুবক নিহতের ঘটনায় মামলা দায়ের করেছেন তার বাবা মো. জাহাঙ্গীর।
শুক্রবার (২৮ মার্চ) রাতে অজ্ঞাত ১০০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করে জোরারগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।
বিজ্ঞাপন
মামলার এজাহারে মো. জাহাঙ্গীর উল্লেখ করেন, জাবেদ চট্টগ্রাম শহরে কাঁচা তরকারির ব্যবসা করতেন। বিয়ের পর সে হাটহাজারীতে শ্বশুর বাড়িতে থাকতো। গত ১২ দিন আগে ব্যবসায়িক কাজে বারইয়ারহাটে তার বন্ধু মাসুদ ও জাহিদের বাড়িতে আসেন এবং সেখানে অবস্থান করেন। সর্বশেষ গত ২৬ মার্চ সকাল ১০টায় তিনি জাবেদের নাম্বারে কল দিলে সে জানায় জোরারগঞ্জে তার বন্ধুর বাড়িতে আছে। পরবর্তীতে ওইদিন দুপুর ১২টায় একটি নাম্বার থেকে আমার নাম্বারে কল দিয়ে জানানো হয় দুষ্কৃতকারীরা জাবেদকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে। তার লাশ মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা আছে।
এজহারে আরও উল্লেখ করা হয়, মিরসরাই উপজেলা, মিরসরাই ও বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে গত ২৬ মার্চ চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নুরুল আমিন সমর্থিত বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক মাঈন উদ্দিন লিটন ও আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আমিন চেয়ারম্যান সমর্থিত বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক দিদারুল আলম মিয়াজী গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় শান্তিরহাট রোডের ভুঁইয়া বাড়ির মৃত কেনু সওদাগরের বাড়ির পশ্চিম পাশের গেটের সামনে সংঘর্ষের মাঝে জাবেদ (৪৫) ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সাব্বির মোহাম্মদ সেলিম বলেন, জাবেদ হত্যার ঘটনায় শুক্রবার রাতে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় শনিবার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কেউ আটক নেই। জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
প্রতিনিধি/এসএস