শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ঢাকা

রাকসু নির্বাচন

কোথাও লম্বা লাইন, কোথাও খালি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর ২০২৫, ১০:২২ এএম

শেয়ার করুন:

কোথাও লম্বা লাইন, কোথাও খালি
কোথাও লম্বা লাইন, কোথাও খালি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৫ বছর পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে বহুল প্রত্যাশিত রাকসু নির্বাচন। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণে ক্যাম্পাসজুড়ে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে, কোথাও ভোটারদের লম্বা লাইন আবার কোথাও একেবারেই খালি বুথ।

সকাল ৯টার পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল মিলে-মিশে। প্রধান প্রধান কেন্দ্রগুলোর মধ্যে কিছু হলে ভোটারদের ভিড় চোখে পড়লেও অনেক কেন্দ্রেই ভোট শুরুর পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও দেখা যায়নি তেমন কোনো উপস্থিতি। সবচেয়ে বেশি উপস্থিতি দেখা গেছে শহীদ হবিবুর রহমান হলে এবং সবচেয়ে উপস্থিত কম দেখা গেছে রহমতুন্নেছা হলে। প্রিসাইডিং অফিসার ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের অপেক্ষায় ছিলেন ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও ছিলেন সতর্ক অবস্থানে।


বিজ্ঞাপন


প্রিসাইডিং অফিসাররা বলছেন, সকালবেলায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম থাকলেও দুপুরের পর ভোটের হার বাড়তে পারে। অনেকেই ব্যক্তিগত কাজ শেষ করে ভোট দিতে আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তারা জানান, এ পর্যন্ত ভোটগ্রহণে কোনো জটিলতা বা বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যায়নি। সব কেন্দ্রেই ভোট চলছে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ। রাকসু ও হল সংসদ মিলিয়ে মোট ভোটার সংখ্যা ২৮ হাজার ৯০১ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ১১ হাজার ৩০৫ এবং পুরুষ ভোটার ১৭ হাজার ৫৯৬ জন। ভোট পরিচালনায় রয়েছেন ২১২ জন শিক্ষক, আর নিরাপত্তা নিশ্চিতে মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় দুই হাজার পুলিশ সদস্য, ছয় প্লাটুন বিজিবি এবং ১২ প্লাটুন র‌্যাব।

ভোটের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে সব কেন্দ্র সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে। ব্যবহৃত হচ্ছে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ব্যালট বাক্স ও অন্যান্য সরঞ্জাম আগের দিন রাতেই কেন্দ্রে পৌঁছে গেছে, ফলে ভোটগ্রহণে কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, ভোট শেষে রাকসু কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ে ব্যালট গণনা করা হবে এবং ফলাফল ঘোষণা করা হবে কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে।


বিজ্ঞাপন


ক্যাম্পাসে সকাল থেকে দেখা গেছে, ভোটারদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেউ আগেভাগেই এসে ভোট দিয়ে গেছেন, আবার কেউ এখনও ভোট দিতে অনিচ্ছুক। ছাত্রসংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা নিজেদের প্রার্থীদের বিজয়ের আশায় বিভিন্ন হলে অবস্থান নিয়েছেন। তবে সামগ্রিকভাবে সকালটি ছিল শান্ত ও ধীর গতির।

এএইচ/এইউ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger

টাইমলাইন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর