রোববার, ৬ এপ্রিল, ২০২৫, ঢাকা

নেত্রকোনায় সংঘর্ষে আহত ৮০

জেলা প্রতিনিধি, প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০২ এপ্রিল ২০২৫, ০৬:৩৮ পিএম

শেয়ার করুন:

loading/img

নেত্রকোনার খালিয়াজুরি ও কেন্দুয়ায় পৃথক স্থানে দু’পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৮০ জন আহত হয়েছেন। তখন বেশ কয়েকটি বাড়ি-ঘর ভাঙচুর এবং আগুন দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২ এপ্রিল) স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো এ সংবাদ প্রকাশ করেছে।


বিজ্ঞাপন


এ ঘটনায় আহতদের অনেককে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে গুরুতর আহত ৪-৫ জনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

পরে ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা গিয়ে কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার দুপুরে জেলার খালিয়াজুরি উপজেলার পাঁচহাট বড়হাটি গ্রামে রাস্তায় মাটিকাটা নিয়ে দু'পক্ষের মধ্যে ঝগড়া বাঁধে। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে অনেককে খালিয়াজুরি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহত ৪-৫ জনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। 

খালিয়াজুরী থানার ওসি মো. মকবুল হোসেন এ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আহত কয়েকজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যরা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে বলেও জানান তিনি। 


বিজ্ঞাপন


এদিকে বুধবার দুপুরে জেলার কেন্দুয়া উপজেলায় কথা কাটাকাটি নিয়ে বলাইশিমুল-ছবিলা গ্রামের লোকজন সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় কয়েকটি বাড়ি-ঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করে আগুন ধরিয়ে দেয় প্রতিপক্ষের লোকজন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বলাইশিমুল দক্ষিণপাড়া গ্রামের তাহাজ্জত মিয়া ও ছবিলা গ্রামের এজহারুল মিয়ার মধ্যে ঈদের দিন বিকেলে কথার কাটাকাটি হয়। এ ঘটনার জেরে এলাকায় মাইকিং করে বুধবার সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে উভয়পক্ষ। এ সংঘাতে অন্তত ৩০ জন আহত হন। গুরুতর আহত হন ছবিলা গ্রামের আকাশ মিয়া, মুসলিম উদ্দিন, সাখাওয়াত হোসেন, সাইদুর রহমান, সফিকুল ইসলাম। এদের মধ্যে আকাশ মিয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে তাকে প্রথমে কেন্দুয়া উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেও অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ সময় ছয় বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করে দু’বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা গিয়ে আগুন নেভান। 

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

প্রতিনিধি/ এমইউ

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


News Hub