অনেকেই তরল দুধের সঙ্গ কাঁচা ডিম মিশিয়ে খান। কেউ কেউ দুধ ও ডিম একসঙ্গে খান। তবে কাঁচা নয়, সেদ্ধ করে। কিন্তু তারা জানেন না যে, এই দুটি খাবার একসঙ্গে খেলে শরীরের লাভ হবে নাকি ক্ষতি?
আরও পড়ুন: মুখে ঘা হলে কী খাবেন, কী খাবেন না
বিজ্ঞাপন
পুষ্টির ভাণ্ডার ডিম
কম পয়সায় ডিমের মতো অতি উপকারী একটি খাবার খুঁজে পাওয়া খুবই কঠিন কাজ। কারণ, একটা ডিম থেকে মোটামুটি ৬.৩ গ্রামের মতো
প্রোটিন পাওয়া যায়। আর এই প্রোটিন কিন্তু খুব সহজেই শরীর গ্রহণ করে। তাই দেহে এই ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্টের অভাব মেটাতে চাইলে ডিম খেতেই হবে।
শুধু তাই নয়, এই খাবারে ভিটামিন এ, ভিটামিন বি২, ভিটামিন বি১২, ভিটামিন বি৫, ফসফরাস, সেলেনিয়ামের মতো একাধিক জরুরি ভিটামিন ও খনিজ মজুত রয়েছে। তাই সুস্থ থাকতে রোজ একটা করে ডিম খেতে ভুলবেন না যেন!
বিজ্ঞাপন
দুধের শরণাপন্ন হন
সারা পৃথিবীর বড় বড় সব পুষ্টিবিজ্ঞানীরা এই পানীয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তাদের কথায়, এই পানীয়ে রয়েছে, পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, ফসফরাস, সোডিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন বি২, ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি, কোলিন, ভিটামিন বি১২ থেকে শুরু করে একাধিক জরুরি ভিটামিন ও খনিজ। এর পাশাপাশি দুধে ভালো পরিমাণে প্রোটিনও রয়েছে। তাই আপনার রোজের ডায়েটে অবশ্যই দুধকে জায়গা করে দিতে হবে। এই কাজটা করলেই উপকার মিলবে হাতেনাতে।
দুধ ও ডিম একসঙ্গে খাওয়া উচিত?
অনেকেই মনে করেন দুধ এবং ডিম একসঙ্গে খেলে বুঝি পেট গরম হয়ে যাবে। তবে এই ধারণার পিছনে কিন্তু কোনও বিজ্ঞানসম্মত যুক্তি নেই। বরং নিয়মিত ডিম এবং দুধ একসঙ্গে খেলে শরীরে প্রোটিনসহ একাধিক জরুরি ভিটামিন ও খনিজের ঘাটতি মিটিয়ে ফেলতে পারবেন। তাই মন থেকে অমূলক ভয় বের করে দিন। তার বদলে রোজ সকালে ডিম ও দুধ একসঙ্গে খেয়েই সেরে নিন ব্রেকফাস্ট। তাতেই সুস্থ থাকার পথে এক কদম এগিয়ে যাবেন।
এই নিয়ম মেনে চলুন
ডিম খেয়ে উপকার পেতে চাইলে তা সেদ্ধ করে খান। এই প্রাণিজ খাবার ভেজে খেলে বা হাফ বয়েল করে খেলে, তেমন উপকারই পাবেন না। উল্টে একাধিক রোগে নিতে পারে পিছু।
অন্যদিকে ফ্যাট যুক্ত দুধের বদলে ফ্যাট লেস দুধ খাওয়ার চেষ্টা করুন। এই নিয়মটা মেনে চললেও কিন্তু কোলেস্টেরলকে অনায়াসে বশে রাখতে পারবেন। তাই আজ থেকেই এসব নিয়ম মেনে চলার চেষ্টা করতে থাকুন।
এজেড