ঈদে জামা-কাপড়ের পাশাপাশি চাহিদা বাড়ে নারীদের সাজসজ্জা সামগ্রীরও। এবারও ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে চাহিদা বেড়েছে নারীদের প্রসাধনী সামগ্রীর। তবে এসব পণ্যের দাম গত বছরের তুলনায় কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী বলে জানিয়েছেন বিক্রেতা ও ক্রেতারা।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ধানমন্ডি ও আশপাশের বিভিন্ন বিউটি প্রোডাক্টের দোকান ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
বিজ্ঞাপন
সরেজমিনে কয়েকজন বিক্রেতা ও ক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নারীর মেকআপ ও স্কিন কেয়ার পণ্যের চাহিদা সারা বছরই থাকে। তবে ঈদকে সামনে রেখে এর চাহিদা বেড়ে যায়। এ কারণে এ সময় কিছুটা দামও বাড়ে।
সীমান্ত স্কয়ারে বিউটি প্রোডাক্ট ব্র্যান্ড ‘ফ্লোমার’-এর শাখার হেড অব অপারেশনস ব্যবস্থাপক বলেন, গত বছর এ সময় প্রচুর বেচাকেনা হয়েছিল। তবে এবার তুলনামূলক কিছুটা কম। আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে বিক্রি বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
দাম বাড়ার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, গত বছরের মতোই ভ্যাট-ট্যাক্স রয়েছে। তবে বাজারে পণ্যের সরবরাহ কিছুটা কম থাকায় দাম কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী।

বিজ্ঞাপন
সুমাইয়া আক্তার সীমান্ত স্কয়ারে নিজের জন্য মেকআপ সামগ্রী কিনতে এসেছেন। তিনি ঢাকা মেইলকে বলেন, রোজার আগে যে ফেস পাউডার ৭০০ টাকায় কিনেছিলাম, এখন সেটি ৭৫০ টাকা। এছাড়া অন্য যেসব পণ্য আছে, সেগুলোর দামও কিছুটা বেড়েছে বলে মনে হচ্ছে।
নিউমার্কেটের প্রসাধনী সামগ্রী বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন বলেন, বড় বড় শপিং মলের তুলনায় আমাদের এখানে ক্রেতার চাপ বেশি থাকে। সব ধরনের পেশার মানুষ এখান থেকে কেনাকাটা করেন। সে হিসেবে বেচাকেনা ভালোই হচ্ছে। তবে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় এসব পণ্যের দাম কিছুটা বেড়েছে।
নিউমার্কেট থেকে ছোট মেয়ের জন্য লিপস্টিক, নেলপলিশসহ আরও কিছু প্রসাধনী কিনেছেন রোকসানা খাতুন। তিনি বলেন, গত বছরও এসব পণ্য কিনেছিলাম। কিন্তু এবার দাম একটু বেশি মনে হচ্ছে। গত বছর যে জিনিস ১০০ টাকায় কিনেছিলাম, এবার সেটি ১২০ থেকে ১৩০ টাকার মতো লাগছে।
কয়েকটি দোকান ও বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এবার প্রায় প্রতিটি পণ্যের দামই কিছুটা বেড়েছে। কারণ বাজারে যোগানের তুলনায় চাহিদা বেশি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, কোনো পণ্যের চাহিদা বেশি থাকলে তার দাম কিছুটা বাড়া স্বাভাবিক।
এমএইচএইচ/জেবি














