কোলেস্টেরল: কখন সতর্ক হবেন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০৯:০৭ এএম
কোলেস্টেরল: কখন সতর্ক হবেন?

মানুষের জীবনযাত্রায় এসেছে পরিবর্তন। ভোর থেকে রাত অবধি কাজ, অপরিমিত ঘুম, ভুল খাদ্যাভ্যাস যেন নিত্যসঙ্গী। এসবের ফলে কোলেস্টেরল বাড়ার সমস্যাও খুব সাধারণ হয়ে গেছে। শরীরের কম কার্যকলাপ, তৈলাক্ত খাবার গ্রহণ, কম শরীরচর্চা ইত্যাদি কারণে আমাদের দেহে চর্বি জমতে শুরু করে। যা ডায়াবেটিস, হার্ট অ্যাটাকসহ হৃদপিণ্ডজনিত নানা রোগের কারণ হয়।

cholestoralকোলেস্টেরল কী?

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে কোলেস্টেরল আসলে কী? এটি হলো একধরনের আঠালো পদার্থ। কোলেস্টেরল ভালো-খারাপ দুই রকমেরই হতে পারে। ভালো কোলেস্টেরল শরীরে সুস্থ কোষ তৈরি করে। অন্যদিকে খারাপ কোলেস্টেরল হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। রক্তে কতটুকু কোলেস্টেরল থাকা উচিত? চিকিৎসকদের হিসাব অনুযায়ী, সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের ২০০ mg/dl পর্যন্ত কোলেস্টেরল থাকা উচিত। এই মাত্রা যদি ২৪০ mg/dl-এর বেশি হয়ে যায়, তাহলে সাবধান হতে হবে। জীবনধারা ও খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনতে হবে। 

colestoralপেরিফেরাল আর্টারিতে আক্রান্ত নন তো?
 
রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে গেলে পেরিফেরাল আর্টারি সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এই রোগে ধমনীর ক্ষতি হয়। পেরিফেরাল আর্টারির ফলে ধমনীগুলি সঙ্কুচিত হয় এবং রক্ত সঞ্চালনে খারাপ প্রভাব ফেলে। শরীরের যেসব অংশে প্রচণ্ড ব্যথা হলে সতর্কতা জরুরি যেহেতু পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ (PAD) এর কারণে শরীরে রক্ত প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়, তাই শরীরে পরিবর্তন আসে। ব্যায়াম বা ভারী কাজ করলে কি আপনার উরু, নিতম্ব ও পায়ে তীব্র ব্যথা হয়? তাহলে সতর্ক হয়ে যান। চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং দ্রুত কোলেস্টেরলের মাত্রা পরীক্ষা করুন। 

কোলেস্টেরল বাড়লে অতিরিক্ত উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। লাইফস্টাইলে পরিবর্তন আর সঠিক খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। 

এনএম/এজেড