দুধের চেয়ে পুষ্টিগুণে এগিয়ে রয়েছে টক দই। অনেকেই তাই সকালের নাশতায় চিঁড়ার সঙ্গে টক দই খান। আবার অনেক বাড়িতেই দুপুরের খাবার খাওয়ার পর টক দই খাওয়ার চল রয়েছে।
দুধ থেকে দই তৈরির সময়ে স্বাভাবিক পদ্ধতিতেই ল্যাক্টোব্যাসিলাস ব্যাক্টেরিয়ার জন্ম হয়। ফলে দুধে থাকা ল্যাক্টোজ, ল্যাক্টিক অ্যাসিডে পরিবর্তিত হয়ে যায়। এটি হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে। বিভিন্ন গবেষণা অনুযায়ী, অন্ত্রে থাকা মাইক্রোবায়োটার পরিমাণ বাড়িয়ে তুলতে পারে এটি। কেন টক দই খাবেন? চলুন জেনে নেওয়া যাক-
বিজ্ঞাপন
হাড় মজবুত করে
হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে টক দই। পুরুষদের তুলনায় নারীরা বেশি মাত্রায় ক্যালশিয়ামের অভাবে ভোগেন। এক্ষেত্রে উপকারি ভূমিকা রাখে টক দই। নিয়মিত টক দই খেলে, হাড় ক্ষয়ে যাওয়া বা অস্টিয়োপোরোসিসের সমস্যা কমতে পারে।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে
বিজ্ঞাপন
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে টক দই। যারা নিয়মিত টক দই খান, তাদের হৃদযন্ত্রের কার্যকলাপ সচল রাখতেও সাহায্য করে এটি।
হজমশক্তি বাড়ায়
দই খেলে হজমশক্তি বাড়ে। অতিরিক্ত তেলমশলার খাবার খেলে টক দই খান। দ্রুত হজম হবে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
টক দই রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। নিয়মিত এই দই খেলে জ্বর-সর্দি-কাশির সমস্যা কম হয়।
অনেকেই দুধ খেতে পারেন না। দুধ খেলে পেটে নানা রকমের সমস্যা হয়। অন্যদিকে দই সহজেই হজম করা যায়। দুধের বেশির ভাগ পুষ্টিগুণই দইয়ে রয়েছে। তাই খাদ্যতালিকায় টক দই রাখুন।
এনএম