বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

শিবিরের ভিপি প্রার্থীর স্ত্রীকে হেনস্তাকারীদের গ্রেফতারে আলটিমেটাম

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক, জবি
প্রকাশিত: ০৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:১৭ পিএম

শেয়ার করুন:

Sibir
রফিক ভবনের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন জকসু নির্বাচনের ছাত্রশিবিরের ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম। ছবি- প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে শিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের সহসভাপতি (ভিপি) প্রার্থী রিয়াজুল ইসলামের স্ত্রীকে হেনস্তার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে আলটিমেটাম দিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির। 

আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জড়িতদের গ্রেফতার না করলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় রফিক ভবনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি তুলে ধরেন ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ১৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মাহিমা আক্তারকে, যিনি তার স্ত্রী, হেনস্তা করে ছাত্রদলের কর্মীরা পুলিশে সোপর্দ করে। এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করতে হবে। অন্যথায় আমরা দেখিয়ে দেব, কীভাবে গ্রেফতার করাতে হয়।

রিয়াজুল ইসলাম অভিযোগ করেন, ফিজিক্স ও ইসলামিক হিস্ট্রি অ্যান্ড কালচারসহ বিভিন্ন বিভাগের অন্তত চারজন নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তা করা হয়েছে। এসব ঘটনারও সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন তিনি।

ভিপি প্রার্থী বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় জনবসতিপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত। এখানে সাধারণ পথচারীদের চলাচল স্বাভাবিক। অথচ সাধারণ পথচারীদের ‘জামায়াত ট্যাগ’ দিয়ে হেনস্তা করা হয়েছে। যারা এসব অপকর্মে জড়িত, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।


বিজ্ঞাপন


ভোট গণনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোট গণনা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাতে সংশ্লিষ্ট সবাই একমত হয়েছেন। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই ভোট গণনা করতে হবে। কোনোভাবেই সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আনা যাবে না। ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত রাষ্ট্রের সহযোগিতা কামনা করছি। শিক্ষার্থীরা যে রায় দিয়েছে, সেটিই প্রতিফলিত হতে হবে। কোনো ধরনের ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ আমরা মেনে নেব না।
তবে ক্যাম্পাসের বাইরের কিছু ঘটনা ছাড়া ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া মোটের ওপর সুষ্ঠু হয়েছে বলেও দাবি করেন রিয়াজুল ইসলাম।

দুই দফা স্থগিতের পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ ও হল সংসদ নির্বাচনের নতুন তারিখ ঘোষণা করা হয় গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর। নির্বাচন শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে ভোর ৬টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু হলে জরুরি সিন্ডিকেট সভায় নির্বাচন স্থগিত করা হয়। পরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে আবারও জরুরি সিন্ডিকেট সভা ডেকে ৬ জানুয়ারি নির্বাচনের নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

এবারের নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য প্যানেলগুলোর মধ্যে রয়েছে ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’, ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’, ছাত্রশক্তি সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’ এবং বামপন্থী মওলানা ভাসানী ব্রিগেড প্যানেল। এছাড়া আংশিক প্যানেল ও একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থীও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এএইচ

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

টাইমলাইন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর