জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (জকসু) নির্বাচনে প্রায় ৬৫ শতাংশ ভোট পড়বে বলে আশা প্রকাশ করেছেন জকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসান।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে জকসু নির্বাচনের ভোটের পরিস্থিতি নিয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
বিজ্ঞাপন
অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসান বলেন, ‘আমরা আশা করছি প্রায় ৬৫ শতাংশ ভোট কাস্টিং হবে। সব কেন্দ্রের তথ্য হাতে এলে বিস্তারিত জানানো যাবে। তবে এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ সন্তোষজনক।’
তিনি আরও বলেন, ‘ক্যাম্পাস তুলনামূলকভাবে ছোট এবং এটি প্রথমবারের মতো জকসু নির্বাচন হওয়ায় কিছু ছোটখাটো সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে ক্যাম্পাসের ভেতরে তেমন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। বাইরে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও সামগ্রিকভাবে ভোটের পরিবেশ নিয়ে নির্বাচন কমিশন সন্তুষ্ট।’
এর আগে সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। এবার জকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১৬ হাজার ৬৪৫। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৯টি কেন্দ্রের ১৭৮টি বুথে ভোটগ্রহণ করা হয়েছে।
নির্বাচনে মোট ২১টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১৫৭ প্রার্থী এবং হল সংসদের ১৩ পদে ৩৩ প্রার্থী। হলের শিক্ষার্থীদের হল সংসদে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সংসদের জন্য আলাদাভাবে ভোট দিতে হবে।
বিজ্ঞাপন
ভোটগ্রহণ শেষে ৬টি ওএমআর মেশিনে হবে ব্যালট গণনা। ফলাফল ঘোষণা করা হবে কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে। ভোট গণনা সরাসরি দেখানো হবে এলইডি স্ক্রিনে।
গত ৩০ ডিসেম্বর জকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জরুরি সিন্ডিকেট সভার মাধ্যমে জকসু নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে পুনরায় ৬ জানুয়ারি জকসু নির্বাচনের নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
উল্লেখযোগ্য প্যানেলগুলোর মধ্যে রয়েছে ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’, ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’, ছাত্রশক্তি সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’ ও বামপন্থি সমর্থিত ‘মওলানা ভাসানী ব্রিগেড’ প্যানেল। এ ছাড়া, একটি আংশিক প্যানেল ছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা রয়েছেন।
এসএইচ/এফএ


















