শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা
কনভার্টার
নদী ভাঙন এক ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ। সাধারণত সমুদ্রে গিয়ে পড়ার সময় নদীর পানি তীব্র গতিপ্রাপ্ত হয়। এতে পানির তোড়ে নদীর পাড় ভাঙতে থাকে। পানির স্রোতে নদীর পাড় ভাঙার এই অবস্থাই হলো নদী ভাঙন। এর অন্যতম কারণ বন্যা।
শেয়ার করুন:
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২২ এএম
ভাঙনকবলিত এলাকার বাসিন্দা নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘আজ রাতের মধ্যে আমাদের ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে। আমার থাকার কোনো জায়গা নেই। তাই তাৎক্ষণিকভাবে মালামাল সরিয়ে
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৪ পিএম
কয়েকদিন ধরে তিস্তা নদীতে স্রোতের চাপ বাড়ছিল। হঠাৎ স্রোতের তীব্রতা বেড়ে নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভাঙন শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই নদীর পাড়ের মাটি ধসে পড়তে থাকে।
০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৮ পিএম
গত দুই বছরে খোদাবক্সপুরে প্রায় ১৫০ পরিবার ভিটেমাটি হারিয়েছে। চলতি বছরই আরও ১৫ থেকে ২০টি পরিবার বাড়িঘর সরিয়ে নিয়েছে। তাদের দাবি, অব্যাহত ভাঙনে গ্রামের প্রায়...
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪১ এএম
ষাটোর্ধ্ব নিহাত বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমি একজন সর্বহারা। অনেক কষ্ট করে ঘরটুকু করেছিলাম। নদী সেটাও নিয়ে গেল। এখন আমার থাকারও কোনো জায়গা নেই। বাড়ির জমি সব
৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৪ পিএম
দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙনের কারণে রোমজাইপুর ও আশপাশের এলাকার মানুষ চরম দুর্ভোগে রয়েছেন। ইতোমধ্যে বহু ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন....
২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৭ পিএম
‘দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে প্রায় ৫ দশমিক ৪৬ মিলিয়ন হেক্টর জমি খরাপ্রবণ। এসব এলাকায় প্রায় ১৬ হাজার গভীর নলকূপ দিয়ে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে অনেক স্থানে পানির
২৩ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৩২ পিএম
নদীর পানি বাড়তে থাকায় ভাঙনস্থল দিয়ে প্রবল স্রোতে পানি লোকালয়ের দিকে ছুটে আসছে। এতে নদীতীরবর্তী বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট ও ফসলি জমি নিয়ে তারা শঙ্কিত।
২৩ আগস্ট ২০২৬, ০৩:১১ পিএম
নদীভাঙনকবলিত এলাকা ও ঝুঁকিপূর্ণ বাড়িঘর রয়েছে এমন স্থান থেকে নৌকাবাইচ কিছুটা সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ এসেছে। রোববার বিকেলে নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করে জায়গাটি....
২০ আগস্ট ২০২৬, ১০:২৪ এএম
ইতোমধ্যে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটিও নদীগর্ভে চলে গেছে। ঐতিহ্যবাহী সাচিয়া বাজারের মসজিদ, মন্দিরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও এখন চরম ঝুঁকিতে রয়েছে।
১৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:১২ পিএম
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চরবাসীর একমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘ভোরের পাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’ নদীভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে।